ইরানের কাছে থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ইরান থেকে তাঁরা এই ইউরেনিয়াম নিয়েই আসবেন এবং সম্ভবত হাতে পাওয়ার পর তা ধ্বংস করে দেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই উপাদানটি তাঁদের প্রয়োজন বা চাওয়ার বিষয় নয়, বরং তা কোনোভাবেই ইরানের কাছে থাকতে দেওয়া হবে না।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন যে, দেশের হাতে থাকা এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কোনো অবস্থাতেই দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না। ইরানের দুটি জ্যেষ্ঠ সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার এই নির্দেশের পাশাপাশি দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও এই বিষয়ে একমত গঠিত হয়েছে। মূলত ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো হলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের হামলার মুখে দেশ আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই তেহরান এই অবস্থান নিয়েছে।
ইরানের এই কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ দাবির বিপরীতে ইরানের এই বিপরীতমুখী ও অনড় অবস্থান চলমান আন্তর্জাতিক শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
ইরানের কাছে থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ইরান থেকে তাঁরা এই ইউরেনিয়াম নিয়েই আসবেন এবং সম্ভবত হাতে পাওয়ার পর তা ধ্বংস করে দেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই উপাদানটি তাঁদের প্রয়োজন বা চাওয়ার বিষয় নয়, বরং তা কোনোভাবেই ইরানের কাছে থাকতে দেওয়া হবে না।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন যে, দেশের হাতে থাকা এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কোনো অবস্থাতেই দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না। ইরানের দুটি জ্যেষ্ঠ সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার এই নির্দেশের পাশাপাশি দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও এই বিষয়ে একমত গঠিত হয়েছে। মূলত ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো হলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের হামলার মুখে দেশ আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই তেহরান এই অবস্থান নিয়েছে।
ইরানের এই কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ দাবির বিপরীতে ইরানের এই বিপরীতমুখী ও অনড় অবস্থান চলমান আন্তর্জাতিক শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন