শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ‘অতিরিক্ত দাবি’ করছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেসের সঙ্গে এক ফোনালাপে এই দাবি করেন। ফোনালাপে আব্বাস আরাগচি বলেন, বারবার কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, সামরিক আগ্রাসন, পরস্পরবিরোধী অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘অতিরিক্ত দাবি’ সত্ত্বেও তেহরান এখনো কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে।
এদিকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান মধ্যস্থতা জোরদার করতে গতকাল তেহরানে পৌঁছেছেন। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ করে তার ছেলের বিয়েতে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে জানান, ‘সরকারি পরিস্থিতির’ কারণে তাকে ওয়াশিংটনেই থাকতে হবে; যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে পরিস্থিতি এখন খুবই সংবেদনশীল পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘বর্ডারলাইনে’ আছে উল্লেখ করে বলেন, এটি আবারও হামলার দিকে যেতে পারে, অথবা যুদ্ধ শেষের একটি চুক্তিতেও পৌঁছাতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর পর ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে তেহরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এ ছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে পালটা-পালটি অবরোধ তৈরি হয়, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির পর কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চললেও এখনো স্থায়ী সমাধান আসেনি। ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠকসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক চলাচল পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হয়নি, যার ফলে বিশ্ববাজারে বিপুল পরিমাণ তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস ও সিবিএস নিউজ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, হোয়াইট হাউস ইরানের ওপর নতুন হামলার পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। তবে এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ‘অতিরিক্ত দাবি’ করছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেসের সঙ্গে এক ফোনালাপে এই দাবি করেন। ফোনালাপে আব্বাস আরাগচি বলেন, বারবার কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, সামরিক আগ্রাসন, পরস্পরবিরোধী অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘অতিরিক্ত দাবি’ সত্ত্বেও তেহরান এখনো কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে।
এদিকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান মধ্যস্থতা জোরদার করতে গতকাল তেহরানে পৌঁছেছেন। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ করে তার ছেলের বিয়েতে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে জানান, ‘সরকারি পরিস্থিতির’ কারণে তাকে ওয়াশিংটনেই থাকতে হবে; যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে পরিস্থিতি এখন খুবই সংবেদনশীল পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘বর্ডারলাইনে’ আছে উল্লেখ করে বলেন, এটি আবারও হামলার দিকে যেতে পারে, অথবা যুদ্ধ শেষের একটি চুক্তিতেও পৌঁছাতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর পর ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে তেহরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এ ছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে পালটা-পালটি অবরোধ তৈরি হয়, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির পর কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চললেও এখনো স্থায়ী সমাধান আসেনি। ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠকসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক চলাচল পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হয়নি, যার ফলে বিশ্ববাজারে বিপুল পরিমাণ তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস ও সিবিএস নিউজ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, হোয়াইট হাউস ইরানের ওপর নতুন হামলার পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। তবে এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন