চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে লন্ডনের মেয়র সাদিক খান পবিত্র হজ পালন করছেন। পবিত্র মসজিদে হারামে ইহরাম পরিহিত অবস্থায় তার একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর প্রথম দিন অর্থাৎ ২৫ মে এই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
পাকিস্তানের মন্ত্রী ফাহাদ হারুন তার এক্স হ্যান্ডেলে কাবার কাছে সাদিক খানের সঙ্গে তার সাক্ষাতের একটি ছবি শেয়ার করেছেন। হারুন এই সাক্ষাৎকে পারস্পরিক সদিচ্ছা ও শ্রদ্ধার প্রতিফলনকারী একটি উষ্ণ ও অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের মেয়র পদে টানা তিনবার নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন লেবার পার্টির প্রার্থী পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত রাজনীতিক সাদিক খান। ২০১৬ সালে লন্ডনের মেয়র হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয় এবং তখন থেকেই তিনি এই পদটি ধরে রেখেছেন।
সাদিক খানের জন্ম ১৯৭০ সালের ৮ অক্টোবর লন্ডনে। এর দুই বছর আগে অর্থাৎ ১৯৬৮ সালে তার মা-বাবা পাকিস্তান থেকে যুক্তরাজ্যের অভিবাসী হিসেবে পাড়ি জমান। তার বাবা আমানউল্লাহ ছিলেন বাসচালক এবং মা শেহরুন দরজির কাজ করতেন। সাত ভাই ও এক বোনের মধ্যে সাদিক খান পঞ্চম।
তিনি ইউনিভার্সিটি অব নর্থ লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে মানবাধিকার-বিষয়ক আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কম বয়সেই তিনি লেবার পার্টির রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন।
১৯৯৪ সালে মাত্র ২৪ বছর বয়সে লেবার পার্টির হয়ে লন্ডনের ওয়ান্ডসওর্থ বারার কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন সাদিক খান এবং ২০০৬ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৫ সালে যুক্তরাজ্যের জাতীয় নির্বাচনে দক্ষিণ লন্ডনের টুটিং আসন থেকে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৮ সালে গর্ডন ব্রাউন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি স্থানীয় সরকারের পার্লামেন্টারি আন্ডার সেক্রেটারি এবং পরবর্তীতে যোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে লেবার পার্টি বিরোধী দলে গেলে তিনি ছায়া মন্ত্রিসভায় বিচার-বিষয়ক ছায়া মন্ত্রী, লর্ড চ্যান্সেলর (ছায়া অর্থমন্ত্রী) ও লন্ডন-বিষয়ক ছায়া মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
২০১৬ সালে লন্ডনের মেয়র পদে নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করেন সাদিক খান। সে বছরের ৯ মে কনজারভেটিভ পার্টির জেক গোল্ডস্মিথকে হারিয়ে তিনি প্রথমবার লন্ডনের মেয়র নির্বাচিত হন। ব্যক্তিগত জীবনে দুই সন্তানের জনক সাদিক খান ২০১৮ সালে জনপ্রিয় সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নেন।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে লন্ডনের মেয়র সাদিক খান পবিত্র হজ পালন করছেন। পবিত্র মসজিদে হারামে ইহরাম পরিহিত অবস্থায় তার একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর প্রথম দিন অর্থাৎ ২৫ মে এই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
পাকিস্তানের মন্ত্রী ফাহাদ হারুন তার এক্স হ্যান্ডেলে কাবার কাছে সাদিক খানের সঙ্গে তার সাক্ষাতের একটি ছবি শেয়ার করেছেন। হারুন এই সাক্ষাৎকে পারস্পরিক সদিচ্ছা ও শ্রদ্ধার প্রতিফলনকারী একটি উষ্ণ ও অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের মেয়র পদে টানা তিনবার নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন লেবার পার্টির প্রার্থী পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত রাজনীতিক সাদিক খান। ২০১৬ সালে লন্ডনের মেয়র হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয় এবং তখন থেকেই তিনি এই পদটি ধরে রেখেছেন।
সাদিক খানের জন্ম ১৯৭০ সালের ৮ অক্টোবর লন্ডনে। এর দুই বছর আগে অর্থাৎ ১৯৬৮ সালে তার মা-বাবা পাকিস্তান থেকে যুক্তরাজ্যের অভিবাসী হিসেবে পাড়ি জমান। তার বাবা আমানউল্লাহ ছিলেন বাসচালক এবং মা শেহরুন দরজির কাজ করতেন। সাত ভাই ও এক বোনের মধ্যে সাদিক খান পঞ্চম।
তিনি ইউনিভার্সিটি অব নর্থ লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে মানবাধিকার-বিষয়ক আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কম বয়সেই তিনি লেবার পার্টির রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন।
১৯৯৪ সালে মাত্র ২৪ বছর বয়সে লেবার পার্টির হয়ে লন্ডনের ওয়ান্ডসওর্থ বারার কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন সাদিক খান এবং ২০০৬ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৫ সালে যুক্তরাজ্যের জাতীয় নির্বাচনে দক্ষিণ লন্ডনের টুটিং আসন থেকে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৮ সালে গর্ডন ব্রাউন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি স্থানীয় সরকারের পার্লামেন্টারি আন্ডার সেক্রেটারি এবং পরবর্তীতে যোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে লেবার পার্টি বিরোধী দলে গেলে তিনি ছায়া মন্ত্রিসভায় বিচার-বিষয়ক ছায়া মন্ত্রী, লর্ড চ্যান্সেলর (ছায়া অর্থমন্ত্রী) ও লন্ডন-বিষয়ক ছায়া মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
২০১৬ সালে লন্ডনের মেয়র পদে নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করেন সাদিক খান। সে বছরের ৯ মে কনজারভেটিভ পার্টির জেক গোল্ডস্মিথকে হারিয়ে তিনি প্রথমবার লন্ডনের মেয়র নির্বাচিত হন। ব্যক্তিগত জীবনে দুই সন্তানের জনক সাদিক খান ২০১৮ সালে জনপ্রিয় সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নেন।

আপনার মতামত লিখুন