কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক যুবকের বাড়ি থেকে প্রেমিকাকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশ ওই যুবক ও যুবতী উভয়কেই লাঠিপেটা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় পুলিশের হাত থেকে প্রেমিককে বাঁচাতে প্রেমিকা জড়িয়ে ধরলেও শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশের পিটুনিতে আহত ওই যুবকের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা পুলিশের ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর করে এবং পুলিশ সদস্যদের ধাওয়া দেয়। গত শনিবার বিকেল ৫টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ছাইরাখালী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদগাঁও উপজেলার এক তরুণী চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ছাইরাখালী এলাকার নুরুল আমিনের (২৪) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাড়ি থেকে পালিয়ে আসেন। নুরুল আমিনের পরিবারের দাবি, গত শুক্রবার মেয়ের মা-বাবা তাঁদের বাড়িতে আসেন এবং উভয় পরিবারের সম্মতিতে দেনমোহর নির্ধারণ করে তাঁদের বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়। তবে এই সিদ্ধান্ত মেয়েপক্ষের কয়েকজনের পছন্দ না হওয়ায় তাঁরা চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার বিকেলে চকরিয়া থানা পুলিশের একটি দল মেয়েটিকে উদ্ধার করতে গেলে তরুণীটি কোনোভাবেই পুলিশের সঙ্গে আসতে রাজি হননি।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে থানা থেকে এসআই মো. আরকানুল ইসলামের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়েটিকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়ে একপর্যায়ে লাঠিপেটা শুরু করে। পুলিশের এই লাঠিপেটা থেকে প্রেমিককে বাঁচাতে প্রেমিকা জড়িয়ে ধরে চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন এবং পুলিশের পিটুনিতে নুরুল আমিন অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে নুরুল আমিনের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসী পুলিশকে ধাওয়া দিয়ে তাদের একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর করে। পরে খবর পেয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
গুরুতর আহত নুরুল আমিনকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিৎ দাশ জানান, একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যাতে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর এবং দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ভিকটিম উদ্ধারের এই অভিযানে পুলিশের কোনো সদস্যের গাফিলতি বা দোষত্রুটি প্রমাণিত হলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক যুবকের বাড়ি থেকে প্রেমিকাকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশ ওই যুবক ও যুবতী উভয়কেই লাঠিপেটা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় পুলিশের হাত থেকে প্রেমিককে বাঁচাতে প্রেমিকা জড়িয়ে ধরলেও শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশের পিটুনিতে আহত ওই যুবকের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা পুলিশের ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর করে এবং পুলিশ সদস্যদের ধাওয়া দেয়। গত শনিবার বিকেল ৫টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ছাইরাখালী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদগাঁও উপজেলার এক তরুণী চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ছাইরাখালী এলাকার নুরুল আমিনের (২৪) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাড়ি থেকে পালিয়ে আসেন। নুরুল আমিনের পরিবারের দাবি, গত শুক্রবার মেয়ের মা-বাবা তাঁদের বাড়িতে আসেন এবং উভয় পরিবারের সম্মতিতে দেনমোহর নির্ধারণ করে তাঁদের বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়। তবে এই সিদ্ধান্ত মেয়েপক্ষের কয়েকজনের পছন্দ না হওয়ায় তাঁরা চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার বিকেলে চকরিয়া থানা পুলিশের একটি দল মেয়েটিকে উদ্ধার করতে গেলে তরুণীটি কোনোভাবেই পুলিশের সঙ্গে আসতে রাজি হননি।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে থানা থেকে এসআই মো. আরকানুল ইসলামের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়েটিকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়ে একপর্যায়ে লাঠিপেটা শুরু করে। পুলিশের এই লাঠিপেটা থেকে প্রেমিককে বাঁচাতে প্রেমিকা জড়িয়ে ধরে চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন এবং পুলিশের পিটুনিতে নুরুল আমিন অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে নুরুল আমিনের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসী পুলিশকে ধাওয়া দিয়ে তাদের একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর করে। পরে খবর পেয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
গুরুতর আহত নুরুল আমিনকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিৎ দাশ জানান, একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যাতে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর এবং দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ভিকটিম উদ্ধারের এই অভিযানে পুলিশের কোনো সদস্যের গাফিলতি বা দোষত্রুটি প্রমাণিত হলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন