ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের সিরিক দ্বীপে একটি যোগাযোগ টাওয়ারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে আইআরজিসি জানিয়েছে, সিরিক দ্বীপের যোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন সেনাবাহিনীর হামলার প্রায় এক ঘণ্টা পর আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর ইউনিটগুলো ওই হামলার উৎসস্থল হিসেবে চিহ্নিত বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের পর আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের যোদ্ধারা হামলার উৎসস্থল বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে এবং পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়। তবে হামলার শিকার বিমানঘাঁটিটি আসলে কোথায় অবস্থিত, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি আইআরজিসি।
এদিকে এর আগে কুয়েতে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায় এবং দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পালটাপালটি সামরিক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের সিরিক দ্বীপে একটি যোগাযোগ টাওয়ারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে আইআরজিসি জানিয়েছে, সিরিক দ্বীপের যোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন সেনাবাহিনীর হামলার প্রায় এক ঘণ্টা পর আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর ইউনিটগুলো ওই হামলার উৎসস্থল হিসেবে চিহ্নিত বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের পর আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের যোদ্ধারা হামলার উৎসস্থল বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে এবং পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়। তবে হামলার শিকার বিমানঘাঁটিটি আসলে কোথায় অবস্থিত, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি আইআরজিসি।
এদিকে এর আগে কুয়েতে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায় এবং দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পালটাপালটি সামরিক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন