মৃত্যুর পর আখেরাতের প্রথম মনজিল হলো কবর, যা আখিরাতের যাত্রার সূচনা এবং ইসলামের আলোকে একে পরকালের প্রথম পরীক্ষা ক্ষেত্র বলা হয়েছে। যারা কবরের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে তাদের জন্য পরকালের পরবর্তী ধাপগুলো সহজ হয়ে যাবে এবং যারা ব্যর্থ হবে তাদের জন্য আখেরাতের জীবন কঠিন হয়ে যাবে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, উসমান (রা.) কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদতেন এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণী স্মরণ করিয়ে দিতেন যে, আখেরাতের মানজিলসমূহের মধ্যে কবর হলো প্রথম মানজিল এবং এর চেয়ে ভয়ংকর দৃশ্য তিনি আর কখনো দেখেননি।
কবরের ভেতরে প্রতিটি মানুষকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করা হবে, যার প্রথমটি হলো— ‘তোমার রব কে?’ দুনিয়াতে আল্লাহকে একমাত্র প্রতিপালক হিসেবে মেনে চলা ব্যক্তিরাই কেবল এই প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারবে, অন্যথায় যারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুকে রব হিসেবে গ্রহণ করেছে তারা উত্তর দিতে পারবে না।
দ্বিতীয় প্রশ্নটি হলো— ‘তোমার দ্বীন কী?’ যারা দুনিয়াতে ইসলামকে পূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করেছে, তারাই কেবল এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে এবং যারা অন্য বিধানকে জীবনব্যবস্থা বানিয়েছে তারা আখেরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
কবরের শেষ প্রশ্নটি করা হবে— ‘তোমাদের মধ্যে প্রেরিত ব্যক্তি কে?’ অর্থাৎ কার অনুসরণ করা হয়েছে এবং নবী কে ছিল। দুনিয়ার জীবনে যারা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ ও জীবনাদর্শ অনুসরণ করেছে, তারাই কেবল এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে সক্ষম হবে।
হাদিস অনুযায়ী, যারা এই তিন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেবে, তখন আকাশ থেকে ঘোষণা আসবে যে বান্দা সত্য বলেছে এবং তার জন্য জান্নাতের বিছানা বিছিয়ে, জান্নাতের পোশাক পরিয়ে জান্নাতের দিকে একটি দরজা খুলে দেওয়া হবে। কবরের এই তিনটি প্রশ্নই মানুষের ইমান, আমল ও জীবনের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ করবে বিধায় দুনিয়ার জীবনেই আল্লাহ, ইসলাম ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শিক্ষা মেনে চলাই পরকালের সফলতার আসল প্রস্তুতি।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
মৃত্যুর পর আখেরাতের প্রথম মনজিল হলো কবর, যা আখিরাতের যাত্রার সূচনা এবং ইসলামের আলোকে একে পরকালের প্রথম পরীক্ষা ক্ষেত্র বলা হয়েছে। যারা কবরের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে তাদের জন্য পরকালের পরবর্তী ধাপগুলো সহজ হয়ে যাবে এবং যারা ব্যর্থ হবে তাদের জন্য আখেরাতের জীবন কঠিন হয়ে যাবে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, উসমান (রা.) কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদতেন এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণী স্মরণ করিয়ে দিতেন যে, আখেরাতের মানজিলসমূহের মধ্যে কবর হলো প্রথম মানজিল এবং এর চেয়ে ভয়ংকর দৃশ্য তিনি আর কখনো দেখেননি।
কবরের ভেতরে প্রতিটি মানুষকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করা হবে, যার প্রথমটি হলো— ‘তোমার রব কে?’ দুনিয়াতে আল্লাহকে একমাত্র প্রতিপালক হিসেবে মেনে চলা ব্যক্তিরাই কেবল এই প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারবে, অন্যথায় যারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুকে রব হিসেবে গ্রহণ করেছে তারা উত্তর দিতে পারবে না।
দ্বিতীয় প্রশ্নটি হলো— ‘তোমার দ্বীন কী?’ যারা দুনিয়াতে ইসলামকে পূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করেছে, তারাই কেবল এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে এবং যারা অন্য বিধানকে জীবনব্যবস্থা বানিয়েছে তারা আখেরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
কবরের শেষ প্রশ্নটি করা হবে— ‘তোমাদের মধ্যে প্রেরিত ব্যক্তি কে?’ অর্থাৎ কার অনুসরণ করা হয়েছে এবং নবী কে ছিল। দুনিয়ার জীবনে যারা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ ও জীবনাদর্শ অনুসরণ করেছে, তারাই কেবল এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে সক্ষম হবে।
হাদিস অনুযায়ী, যারা এই তিন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেবে, তখন আকাশ থেকে ঘোষণা আসবে যে বান্দা সত্য বলেছে এবং তার জন্য জান্নাতের বিছানা বিছিয়ে, জান্নাতের পোশাক পরিয়ে জান্নাতের দিকে একটি দরজা খুলে দেওয়া হবে। কবরের এই তিনটি প্রশ্নই মানুষের ইমান, আমল ও জীবনের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ করবে বিধায় দুনিয়ার জীবনেই আল্লাহ, ইসলাম ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শিক্ষা মেনে চলাই পরকালের সফলতার আসল প্রস্তুতি।

আপনার মতামত লিখুন