ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্স ব্যারেলপ্রতি ৫২ সেন্ট বা ০.৫৫ শতাংশ কমে ৯৪.২৭ ডলারে নেমে আসে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১.০৪ ডলার কমে ৯০.২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
মূলত মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ইতিবাচক বক্তব্যের পর বাজারে এই প্রভাব দেখা দেয়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে আগামী দুই দিনের মধ্যে পাকিস্তানে পুনরায় আলোচনা শুরু হতে পারে। গত সপ্তাহে আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করায় বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, নতুন এই আলোচনার খবরে তা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে।
তবে তেলের দাম কমলেও বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে শঙ্কা কাটেনি। ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান ম্যাকুয়ের মতে, উত্তেজনা কমলে দাম ৮৫ থেকে ৯০ ডলারের মধ্যে স্থিতিশীল থাকতে পারে। কিন্তু যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক না হয় এবং এপ্রিলজুড়ে বিঘ্ন চলতে থাকে, তবে ব্রেন্ট তেলের দাম ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে। কোটাক সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক কায়ানাত চেইনওয়ালাও মনে করেন, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ১২০ থেকে ১৫০ ডলার ছোঁয়া কেবল সময়ের ব্যাপার।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে তেলের বাজার অস্থিরই থাকবে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট প্রকট হবে, যা কেবল তেলের দামই বাড়াবে না, বরং বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির চাপকেও আরও বাড়িয়ে দেবে। বিনিয়োগকারীরা এখন পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছেন।c

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্স ব্যারেলপ্রতি ৫২ সেন্ট বা ০.৫৫ শতাংশ কমে ৯৪.২৭ ডলারে নেমে আসে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১.০৪ ডলার কমে ৯০.২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
মূলত মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ইতিবাচক বক্তব্যের পর বাজারে এই প্রভাব দেখা দেয়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে আগামী দুই দিনের মধ্যে পাকিস্তানে পুনরায় আলোচনা শুরু হতে পারে। গত সপ্তাহে আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করায় বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, নতুন এই আলোচনার খবরে তা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে।
তবে তেলের দাম কমলেও বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে শঙ্কা কাটেনি। ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান ম্যাকুয়ের মতে, উত্তেজনা কমলে দাম ৮৫ থেকে ৯০ ডলারের মধ্যে স্থিতিশীল থাকতে পারে। কিন্তু যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক না হয় এবং এপ্রিলজুড়ে বিঘ্ন চলতে থাকে, তবে ব্রেন্ট তেলের দাম ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে। কোটাক সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক কায়ানাত চেইনওয়ালাও মনে করেন, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ১২০ থেকে ১৫০ ডলার ছোঁয়া কেবল সময়ের ব্যাপার।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে তেলের বাজার অস্থিরই থাকবে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট প্রকট হবে, যা কেবল তেলের দামই বাড়াবে না, বরং বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির চাপকেও আরও বাড়িয়ে দেবে। বিনিয়োগকারীরা এখন পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছেন।c

আপনার মতামত লিখুন