রাশিয়া থেকে চুরি করা ইউক্রেনীয় শস্য বহনকারী একটি জাহাজকে নিজেদের বন্দরে ভিড়তে দেওয়ার অভিযোগে ইসরায়েলের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইউক্রেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) ইসরায়েলে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ইভজেন কর্নিচুক এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনের বিষয়টি সামনে আনেন।
ঘটনার সূত্রপাত: ইউক্রেনের দাবি অনুযায়ী, গত ২৭ মার্চ তারা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ জমা দিয়েছিল যে, হাইফা বন্দরে ভিড়তে যাওয়া একটি রুশ জাহাজ মূলত ইউক্রেন থেকে চুরি করা শস্য বহন করছে। রাষ্ট্রদূত কর্নিচুক অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিচার মন্ত্রণালয় এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আগে থেকেই জানত। তা সত্ত্বেও তারা জাহাজটিকে আটকানো বা অন্তত তথ্য যাচাইয়ের জন্য বিলম্ব করার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
ইউক্রেনের কড়া বার্তা: ইসরায়েলি আচরণের সমালোচনা করে রাষ্ট্রদূত কর্নিচুক বলেন, "ইসরায়েল নিশ্চয়ই খুশি হতো না যদি আমরা ইরান থেকে কেনাকাটা শুরু করতাম। আমরা যেমন ইরানের বিষয়টি এড়িয়ে চলি, রাশিয়ার ব্যাপারেও ইসরায়েলের কাছ থেকে একই ধরনের সংবেদনশীল আচরণ আশা করি।" তিনি এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন ও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ইসরায়েলের অবস্থান ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন: ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ ও আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় ছিল। যদিও পরবর্তীতে রাষ্ট্রদূত মাইকেল ব্রডস্কি প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠান, তবে ততক্ষণে বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে তিক্ততা তৈরি হয়।
এদিকে, এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে একটি ফোনালাপের চেষ্টা করেছিল। তবে সময়সূচির জটিলতা দেখিয়ে জেলেনস্কির দপ্তর আপাতত সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের এই কঠিন সময়ে ইসরায়েলের এই ‘উদাসীনতা’ কিয়েভ ও তেল আবিবের কূটনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরাতে পারে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
রাশিয়া থেকে চুরি করা ইউক্রেনীয় শস্য বহনকারী একটি জাহাজকে নিজেদের বন্দরে ভিড়তে দেওয়ার অভিযোগে ইসরায়েলের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইউক্রেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) ইসরায়েলে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ইভজেন কর্নিচুক এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনের বিষয়টি সামনে আনেন।
ঘটনার সূত্রপাত: ইউক্রেনের দাবি অনুযায়ী, গত ২৭ মার্চ তারা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ জমা দিয়েছিল যে, হাইফা বন্দরে ভিড়তে যাওয়া একটি রুশ জাহাজ মূলত ইউক্রেন থেকে চুরি করা শস্য বহন করছে। রাষ্ট্রদূত কর্নিচুক অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিচার মন্ত্রণালয় এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আগে থেকেই জানত। তা সত্ত্বেও তারা জাহাজটিকে আটকানো বা অন্তত তথ্য যাচাইয়ের জন্য বিলম্ব করার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
ইউক্রেনের কড়া বার্তা: ইসরায়েলি আচরণের সমালোচনা করে রাষ্ট্রদূত কর্নিচুক বলেন, "ইসরায়েল নিশ্চয়ই খুশি হতো না যদি আমরা ইরান থেকে কেনাকাটা শুরু করতাম। আমরা যেমন ইরানের বিষয়টি এড়িয়ে চলি, রাশিয়ার ব্যাপারেও ইসরায়েলের কাছ থেকে একই ধরনের সংবেদনশীল আচরণ আশা করি।" তিনি এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন ও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ইসরায়েলের অবস্থান ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন: ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ ও আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় ছিল। যদিও পরবর্তীতে রাষ্ট্রদূত মাইকেল ব্রডস্কি প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠান, তবে ততক্ষণে বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে তিক্ততা তৈরি হয়।
এদিকে, এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে একটি ফোনালাপের চেষ্টা করেছিল। তবে সময়সূচির জটিলতা দেখিয়ে জেলেনস্কির দপ্তর আপাতত সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের এই কঠিন সময়ে ইসরায়েলের এই ‘উদাসীনতা’ কিয়েভ ও তেল আবিবের কূটনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরাতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন