ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) ওয়াশিংটন সফরের পথে ব্রিটিশ চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস এবং সরকারের মন্ত্রী জেমস মারে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ব্রিটেন এই সংঘাতে জড়াতে আগ্রহী নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব ব্রিটিশ অর্থনীতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে বলে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
চ্যান্সেলর ও মন্ত্রীদের কড়া বার্তা: ডেইলি মিররকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস বলেন, কোনো সুস্পষ্ট ‘প্রস্থান পরিকল্পনা’ (Exit Plan) ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ায় তিনি মার্কিন প্রশাসনের ওপর ‘খুবই হতাশ ও ক্ষুব্ধ’। তার এই সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে ব্রিটিশ মন্ত্রী জেমস মারের কণ্ঠেও। তিনি সরাসরি বলেন, "এটি আমাদের যুদ্ধ নয়। আমরা এতে জড়াইনি, কিন্তু এর প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতে পড়বে।" তিনি মনে করেন, চ্যান্সেলরের এই অবস্থান ব্রিটেনের সাধারণ মানুষেরই মনের কথা।
অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখে ব্রিটেন: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ইতোমধ্যে সতর্ক করেছে যে, ইরান সংঘাতের কারণে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের ওপর সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি ব্রিটিশ অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ওয়াশিংটনে কূটনৈতিক লড়াই: এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই আজ ওয়াশিংটনে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন র্যাচেল রিভস। তবে মার্কিন প্রশাসনের সুর ভিন্ন। স্কট বেসেন্ট বিবিসিকে জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদী আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার স্বার্থে ‘স্বল্পমেয়াদী কিছু অর্থনৈতিক কষ্ট’ মেনে নেওয়া প্রয়োজন।
যুক্তরাজ্যের এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে লন্ডনের বড় ধরনের নীতিগত ফাটল তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কোনো নিশ্চিত ফলাফল ছাড়া এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার বিষয়টি ব্রিটেনকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) ওয়াশিংটন সফরের পথে ব্রিটিশ চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস এবং সরকারের মন্ত্রী জেমস মারে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ব্রিটেন এই সংঘাতে জড়াতে আগ্রহী নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব ব্রিটিশ অর্থনীতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে বলে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
চ্যান্সেলর ও মন্ত্রীদের কড়া বার্তা: ডেইলি মিররকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস বলেন, কোনো সুস্পষ্ট ‘প্রস্থান পরিকল্পনা’ (Exit Plan) ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ায় তিনি মার্কিন প্রশাসনের ওপর ‘খুবই হতাশ ও ক্ষুব্ধ’। তার এই সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে ব্রিটিশ মন্ত্রী জেমস মারের কণ্ঠেও। তিনি সরাসরি বলেন, "এটি আমাদের যুদ্ধ নয়। আমরা এতে জড়াইনি, কিন্তু এর প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতে পড়বে।" তিনি মনে করেন, চ্যান্সেলরের এই অবস্থান ব্রিটেনের সাধারণ মানুষেরই মনের কথা।
অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখে ব্রিটেন: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ইতোমধ্যে সতর্ক করেছে যে, ইরান সংঘাতের কারণে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের ওপর সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি ব্রিটিশ অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ওয়াশিংটনে কূটনৈতিক লড়াই: এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই আজ ওয়াশিংটনে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন র্যাচেল রিভস। তবে মার্কিন প্রশাসনের সুর ভিন্ন। স্কট বেসেন্ট বিবিসিকে জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদী আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার স্বার্থে ‘স্বল্পমেয়াদী কিছু অর্থনৈতিক কষ্ট’ মেনে নেওয়া প্রয়োজন।
যুক্তরাজ্যের এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে লন্ডনের বড় ধরনের নীতিগত ফাটল তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কোনো নিশ্চিত ফলাফল ছাড়া এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার বিষয়টি ব্রিটেনকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন