বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের আবহে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (NSU) সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের উদ্যোগে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলো ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’। বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠে আয়োজিত এই উৎসবটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
উৎসবের চিত্র: রঙিন ও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জায় সজ্জিত পুরো মেলা প্রাঙ্গণে বিরাজ করছিল এক আনন্দঘন পরিবেশ। মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্টল স্থাপন করা হয়। এসব স্টলে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলি ও খাবার, দেশীয় হস্তশিল্প এবং লোকজ সংস্কৃতির নানা উপকরণ প্রদর্শিত হয়, যা আগত দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করেছে।
আয়োজকদের বক্তব্য: সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট খালিদ বিন মোর্শেদ রামিম বলেন, "বৈশাখী মেলা এমন একটি আয়োজন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্তরের মানুষকে এক অনন্য সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। আমরা কেবল উৎসব উদযাপন করিনি, বরং সবার অংশগ্রহণে একটি আন্তরিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছি। এই সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বজায় থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।"
বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই মেলাটি কেবল আনন্দ উৎসবই নয়, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরার একটি সফল মাধ্যম হিসেবে সমাদৃত হয়েছে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের আবহে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (NSU) সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের উদ্যোগে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলো ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’। বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠে আয়োজিত এই উৎসবটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
উৎসবের চিত্র: রঙিন ও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জায় সজ্জিত পুরো মেলা প্রাঙ্গণে বিরাজ করছিল এক আনন্দঘন পরিবেশ। মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্টল স্থাপন করা হয়। এসব স্টলে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলি ও খাবার, দেশীয় হস্তশিল্প এবং লোকজ সংস্কৃতির নানা উপকরণ প্রদর্শিত হয়, যা আগত দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করেছে।
আয়োজকদের বক্তব্য: সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট খালিদ বিন মোর্শেদ রামিম বলেন, "বৈশাখী মেলা এমন একটি আয়োজন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্তরের মানুষকে এক অনন্য সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। আমরা কেবল উৎসব উদযাপন করিনি, বরং সবার অংশগ্রহণে একটি আন্তরিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছি। এই সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বজায় থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।"
বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই মেলাটি কেবল আনন্দ উৎসবই নয়, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরার একটি সফল মাধ্যম হিসেবে সমাদৃত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন