চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রাখার দায়ে শরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার আসাননগর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তির বাড়ির রান্নাঘর থেকে মোট ৬৪৫ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত শরিফুল আসাননগর কারিগরপাড়ার আবদুল জলিলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাপড়ের ব্যবসায়ী শরিফুল লাইসেন্স ছাড়াই মুনাফার আশায় বিপুল পরিমাণ ডিজেল নিজ বাড়িতে মজুত করেছিলেন। বাজারে জ্বালানি তেলের সংকটের সময়ও তিনি এই তেল গোপনে জমিয়ে রাখেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল হক শাহীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযান চালানো হয়।
অবৈধভাবে তেল সংরক্ষণের অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল শামীম শরিফুল ইসলামকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। জব্দকৃত ডিজেল বর্তমানে সরকারি জিম্মায় রয়েছে এবং আজ ১৮ এপ্রিল তা স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করে প্রাপ্ত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জনস্বার্থে এ ধরনের অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রাখার দায়ে শরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার আসাননগর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তির বাড়ির রান্নাঘর থেকে মোট ৬৪৫ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত শরিফুল আসাননগর কারিগরপাড়ার আবদুল জলিলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাপড়ের ব্যবসায়ী শরিফুল লাইসেন্স ছাড়াই মুনাফার আশায় বিপুল পরিমাণ ডিজেল নিজ বাড়িতে মজুত করেছিলেন। বাজারে জ্বালানি তেলের সংকটের সময়ও তিনি এই তেল গোপনে জমিয়ে রাখেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল হক শাহীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযান চালানো হয়।
অবৈধভাবে তেল সংরক্ষণের অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল শামীম শরিফুল ইসলামকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। জব্দকৃত ডিজেল বর্তমানে সরকারি জিম্মায় রয়েছে এবং আজ ১৮ এপ্রিল তা স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করে প্রাপ্ত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জনস্বার্থে এ ধরনের অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন