ঢাকা নিউজ

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের উন্নতি ও ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের দাবি ট্রাম্পের



ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের উন্নতি ও ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের দাবি ট্রাম্পের
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো এবং দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকায় নিয়ে আসা হবে। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দুই দেশ মিলে যৌথভাবে বড় যন্ত্রপাতির মাধ্যমে খননকাজ চালিয়ে এই ইউরেনিয়াম সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেবে। ট্রাম্পের মতে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাই ছিল এই যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

তবে ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই জানিয়েছেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোথাও হস্তান্তরের কোনো সম্ভাবনা তেহরান বিবেচনায়ই নিচ্ছে না। উল্লেখ্য যে, গত বছরের জুনে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর অবশিষ্ট থাকা ‘পারমাণবিক ধুলো’ উদ্ধারের বিষয়ে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিলেও ইরান তাদের কর্মসূচিকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক বলে দাবি করে আসছে।

বর্তমানে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধতার ৯০০ পাউন্ডের বেশি ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ বহাল থাকবে। তবে তিনি আশাবাদী যে, খুব দ্রুত একটি চুক্তি সম্পাদিত হবে এবং এ লক্ষ্যে চলতি সপ্তাহের শেষেই আরও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

চুক্তি সফল হলে ট্রাম্প ইসলামাবাদ সফরে যাওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন। এছাড়া হরমুজ প্রণালী থেকে মাইন অপসারণে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করছে বলে তিনি জানান। তবে ইউরেনিয়ামের বিনিময়ে ইরানকে ২০ বিলিয়ন ডলার প্রদানের খবরটি তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং জানিয়েছেন যে কোনো অর্থ লেনদেন হচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের উন্নতি ও ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের দাবি ট্রাম্পের

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো এবং দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকায় নিয়ে আসা হবে। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দুই দেশ মিলে যৌথভাবে বড় যন্ত্রপাতির মাধ্যমে খননকাজ চালিয়ে এই ইউরেনিয়াম সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেবে। ট্রাম্পের মতে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাই ছিল এই যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

তবে ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই জানিয়েছেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোথাও হস্তান্তরের কোনো সম্ভাবনা তেহরান বিবেচনায়ই নিচ্ছে না। উল্লেখ্য যে, গত বছরের জুনে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর অবশিষ্ট থাকা ‘পারমাণবিক ধুলো’ উদ্ধারের বিষয়ে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিলেও ইরান তাদের কর্মসূচিকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক বলে দাবি করে আসছে।

বর্তমানে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধতার ৯০০ পাউন্ডের বেশি ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ বহাল থাকবে। তবে তিনি আশাবাদী যে, খুব দ্রুত একটি চুক্তি সম্পাদিত হবে এবং এ লক্ষ্যে চলতি সপ্তাহের শেষেই আরও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

চুক্তি সফল হলে ট্রাম্প ইসলামাবাদ সফরে যাওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন। এছাড়া হরমুজ প্রণালী থেকে মাইন অপসারণে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করছে বলে তিনি জানান। তবে ইউরেনিয়ামের বিনিময়ে ইরানকে ২০ বিলিয়ন ডলার প্রদানের খবরটি তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং জানিয়েছেন যে কোনো অর্থ লেনদেন হচ্ছে না।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ