হামের চিকিৎসায় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে সরকারি বরাদ্দ যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার দুপুরে হাসপাতালটি পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, এই সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে সরকার আগে যেখানে বার্ষিক ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিত, এখন তা কমিয়ে ২৮ কোটি টাকা করা হয়েছে। বর্তমান বরাদ্দ দিয়ে ৭০০ শয্যার এই বিশাল হাসপাতাল পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, সারা দেশ থেকে হামে আক্রান্ত শিশুরা এই বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলেও শয্যা সংকটের কারণে অনেককেই ফিরে যেতে হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালের ৭০০ শয্যার মধ্যে ২৫০টি ফ্রি এবং বাকিগুলো পেইড বেড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ সামলানো সম্ভব হচ্ছে না।
পরিদর্শনকালে জামায়াত আমির হামের রোগীদের জন্য একটি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) স্থাপন করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে এই হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে দুই হাজারে উন্নীত করা জরুরি। শয্যা বাড়ানোর পর্যাপ্ত সুযোগ ও প্রয়োজনীয়তা থাকলেও সরকারি গুরুত্বের অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
দেশের বর্তমান হাম পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে ডা. শফিকুর রহমান সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই শিশু হাসপাতালের সংকটে পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। সভায় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে তিনি সরকারের প্রতি স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির জোর দাবি জানান।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
হামের চিকিৎসায় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে সরকারি বরাদ্দ যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার দুপুরে হাসপাতালটি পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, এই সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে সরকার আগে যেখানে বার্ষিক ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিত, এখন তা কমিয়ে ২৮ কোটি টাকা করা হয়েছে। বর্তমান বরাদ্দ দিয়ে ৭০০ শয্যার এই বিশাল হাসপাতাল পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, সারা দেশ থেকে হামে আক্রান্ত শিশুরা এই বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলেও শয্যা সংকটের কারণে অনেককেই ফিরে যেতে হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালের ৭০০ শয্যার মধ্যে ২৫০টি ফ্রি এবং বাকিগুলো পেইড বেড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ সামলানো সম্ভব হচ্ছে না।
পরিদর্শনকালে জামায়াত আমির হামের রোগীদের জন্য একটি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) স্থাপন করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে এই হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে দুই হাজারে উন্নীত করা জরুরি। শয্যা বাড়ানোর পর্যাপ্ত সুযোগ ও প্রয়োজনীয়তা থাকলেও সরকারি গুরুত্বের অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
দেশের বর্তমান হাম পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে ডা. শফিকুর রহমান সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই শিশু হাসপাতালের সংকটে পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। সভায় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে তিনি সরকারের প্রতি স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির জোর দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন