বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ৫২ দিনের মধ্যে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে জানিয়ে জাতীয় সংসদে কড়া সমালোচনা করেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, সরকার বর্তমানে অতিমাত্রায় ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এবং এই অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে কি না, তা জানতে চান।
রুমিন ফারহানার এই সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, এই ঋণের বোঝা বর্তমান সরকারের কর্মফল নয়, বরং এটি বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের ধারাবাহিকতা বা ‘ক্যারিওভার’। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, আগের সরকারের আর্থিক দায়বদ্ধতা মেটাতেই এই ঋণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, এই ঋণের দায়ভার বর্তমান সরকারের ওপর চাপানো অযৌক্তিক।
একই সাথে অর্থমন্ত্রী বিএনপির অর্থনৈতিক পলিসি বা নীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, তাদের লক্ষ্য হলো স্থানীয় ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা। দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে এবং ব্যাংকিং খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকার কাজ করছে বলেও তিনি জানান। অর্থমন্ত্রী আশ্বাস প্রদান করেন যে, সরকারের এই অর্থনৈতিক পরিকল্পনার প্রতিফলন আগামী বাজেটে দেশবাসী দেখতে পাবেন।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ৫২ দিনের মধ্যে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে জানিয়ে জাতীয় সংসদে কড়া সমালোচনা করেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, সরকার বর্তমানে অতিমাত্রায় ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এবং এই অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে কি না, তা জানতে চান।
রুমিন ফারহানার এই সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, এই ঋণের বোঝা বর্তমান সরকারের কর্মফল নয়, বরং এটি বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের ধারাবাহিকতা বা ‘ক্যারিওভার’। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, আগের সরকারের আর্থিক দায়বদ্ধতা মেটাতেই এই ঋণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, এই ঋণের দায়ভার বর্তমান সরকারের ওপর চাপানো অযৌক্তিক।
একই সাথে অর্থমন্ত্রী বিএনপির অর্থনৈতিক পলিসি বা নীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, তাদের লক্ষ্য হলো স্থানীয় ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা। দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে এবং ব্যাংকিং খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকার কাজ করছে বলেও তিনি জানান। অর্থমন্ত্রী আশ্বাস প্রদান করেন যে, সরকারের এই অর্থনৈতিক পরিকল্পনার প্রতিফলন আগামী বাজেটে দেশবাসী দেখতে পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন