হরমুজ প্রণালিতে নৌ-নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুটি কার্গো জাহাজ জব্দ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বুধবার (২২ এপ্রিল) আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রণালির ‘লাল রেখা’ বা নির্ধারিত নীতিমালা লঙ্ঘন করার কারণে জাহাজ দুটিকে আটক করে ইরানের উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, জব্দকৃত জাহাজ দুটি কোন দেশের বা সেগুলোতে কী ধরনের পণ্য পরিবহন করা হচ্ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা দাবি করেছে, জব্দ করার আগে একটি জাহাজ ইরানের উপকূলের কাছে গুলিবিদ্ধ হয় এবং অন্যটি ওমান উপকূলের কাছে হামলার শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত করাকে তারা তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বা ‘রেড লাইন’ হিসেবে গণ্য করে। এর আগে একই দিনে অন্তত তিনটি কনটেইনার জাহাজে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও রয়টার্স জানিয়েছে, গুলিবর্ষণের শিকার জাহাজগুলো বর্তমানে নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্যের একটি বড় অংশ পরিবাহিত হয়। এই পথে ইরানের এমন কঠোর অবস্থান আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যে অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, যার প্রভাব ইতোমধ্যে পানামা খালের মতো গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতেও দেখা যাচ্ছে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে নৌ-নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুটি কার্গো জাহাজ জব্দ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বুধবার (২২ এপ্রিল) আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রণালির ‘লাল রেখা’ বা নির্ধারিত নীতিমালা লঙ্ঘন করার কারণে জাহাজ দুটিকে আটক করে ইরানের উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, জব্দকৃত জাহাজ দুটি কোন দেশের বা সেগুলোতে কী ধরনের পণ্য পরিবহন করা হচ্ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা দাবি করেছে, জব্দ করার আগে একটি জাহাজ ইরানের উপকূলের কাছে গুলিবিদ্ধ হয় এবং অন্যটি ওমান উপকূলের কাছে হামলার শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত করাকে তারা তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বা ‘রেড লাইন’ হিসেবে গণ্য করে। এর আগে একই দিনে অন্তত তিনটি কনটেইনার জাহাজে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও রয়টার্স জানিয়েছে, গুলিবর্ষণের শিকার জাহাজগুলো বর্তমানে নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্যের একটি বড় অংশ পরিবাহিত হয়। এই পথে ইরানের এমন কঠোর অবস্থান আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যে অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, যার প্রভাব ইতোমধ্যে পানামা খালের মতো গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতেও দেখা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন