যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামাবাদে ইরানের পর্যবেক্ষণ বা বক্তব্যগুলো সরাসরি নয়, বরং পাকিস্তানের মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। সেখানে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির। সফরকালে আরাগচি পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করেছে তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদলু এজেন্সি।
এই বৈঠকটিকে মূলত এই অঞ্চলে শান্তি পুনরুদ্ধারে পাকিস্তানের চলমান মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারা এই আলোচনার মাধ্যমে মূলত ‘যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ’ বন্ধের বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে চায়।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের প্রতিনিধি দলের এই সফরে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সরাসরি আলাপ না হলেও পাকিস্তানের মাধ্যমেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ বার্তার আদান-প্রদান ঘটবে বলে কূটনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামাবাদে ইরানের পর্যবেক্ষণ বা বক্তব্যগুলো সরাসরি নয়, বরং পাকিস্তানের মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। সেখানে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির। সফরকালে আরাগচি পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করেছে তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদলু এজেন্সি।
এই বৈঠকটিকে মূলত এই অঞ্চলে শান্তি পুনরুদ্ধারে পাকিস্তানের চলমান মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারা এই আলোচনার মাধ্যমে মূলত ‘যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ’ বন্ধের বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে চায়।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের প্রতিনিধি দলের এই সফরে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সরাসরি আলাপ না হলেও পাকিস্তানের মাধ্যমেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ বার্তার আদান-প্রদান ঘটবে বলে কূটনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন