ঢাকা নিউজ

চুক্তি হলে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের আশ্বাস ইউরোপীয় ইউনিয়নের



চুক্তি হলে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের আশ্বাস ইউরোপীয় ইউনিয়নের
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে একটি সমন্বিত বা পূর্ণাঙ্গ চুক্তি সম্পাদিত হলে দেশটির ওপর থেকে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে প্রস্তুত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সাইপ্রাসে মিসর, সিরিয়া ও লেবাননের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে ইইউ নেতারা এই আগ্রহ প্রকাশ করেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস একে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা এই আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কোনো বিধিনিষেধ বা শুল্ক ছাড়াই দ্রুত খুলে দিতে হবে। মূলত এই নৌপথের নিরাপত্তা ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করাকেই ইউরোপীয় নেতারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

বৈঠকের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কায়া কাল্লাস সতর্কবার্তা প্রদান করেন। তিনি জানান, এবারের আলোচনা থেকে যদি ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তির মতো শক্তিশালী কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না যায়, তবে বিশ্ব আরও বিপজ্জনক এক ইরানের মুখোমুখি হতে পারে। উল্লেখ্য যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ওই ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়েছিলেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাইপ্রাসের এই বৈঠকটি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি নতুন মোড় নিতে পারে। ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের এই প্রস্তাব তেহরানকে নতুন করে আলোচনায় বসতে উৎসাহিত করবে বলে আশা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


চুক্তি হলে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের আশ্বাস ইউরোপীয় ইউনিয়নের

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরানের সঙ্গে একটি সমন্বিত বা পূর্ণাঙ্গ চুক্তি সম্পাদিত হলে দেশটির ওপর থেকে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে প্রস্তুত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সাইপ্রাসে মিসর, সিরিয়া ও লেবাননের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে ইইউ নেতারা এই আগ্রহ প্রকাশ করেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস একে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা এই আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কোনো বিধিনিষেধ বা শুল্ক ছাড়াই দ্রুত খুলে দিতে হবে। মূলত এই নৌপথের নিরাপত্তা ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করাকেই ইউরোপীয় নেতারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

বৈঠকের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কায়া কাল্লাস সতর্কবার্তা প্রদান করেন। তিনি জানান, এবারের আলোচনা থেকে যদি ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তির মতো শক্তিশালী কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না যায়, তবে বিশ্ব আরও বিপজ্জনক এক ইরানের মুখোমুখি হতে পারে। উল্লেখ্য যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ওই ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়েছিলেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাইপ্রাসের এই বৈঠকটি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি নতুন মোড় নিতে পারে। ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের এই প্রস্তাব তেহরানকে নতুন করে আলোচনায় বসতে উৎসাহিত করবে বলে আশা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ