ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা ইসলামী ছাত্রশিবিরকে গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে সম্পূর্ণ প্রকাশ্যে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ব্যক্তিগত অভিমত প্রকাশ করেন। তবে একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, প্রকাশ্যে আসার আগে সমাজে তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।
সর্ব মিত্র চাকমা তার পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকার পরও ছাত্রশিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করার প্রয়োজনীয়তা কী। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও গত ১৭ বছরে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘শিবিরের কর্মী নিঃশর্তভাবে হত্যাযোগ্য প্রাণ’—এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রদল নেতার বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে শিবিরকর্মীদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অন্য কোনো সংগঠনকে নিয়ে এমন মন্তব্য হলে দেশে নিন্দার ঝড় বইত। কিন্তু শিবিরের ক্ষেত্রে মানবাধিকারের বিষয়টি চরমভাবে উপেক্ষিত। তিনি মন্তব্য করেন, বিষ খাইয়ে কুকুরছানা মেরে ফেললে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে, একজন ‘শিবিরের ছানা’ তথা জলজ্যান্ত মানুষ মরলে তথাকথিত সুশীল সমাজ বা মানবাধিকারকর্মীরা টু শব্দটিও করেন না। এমনকি শিবিরের নেতাকর্মীরাও হয়তো নিজেদের মানবাধিকারহীন ‘হত্যাযোগ্য প্রাণ’ হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন।
সর্ব মিত্র চাকমা তার বক্তব্যের শেষে জোর দিয়ে বলেন, তিনি মনে-প্রাণে চান শিবির প্রকাশ্যে রাজনীতিতে আসুক। তবে তার আগে সমাজ যেন তাদের ‘হত্যাযোগ্য প্রাণ’ হিসেবে দেখার মানসিকতা থেকে মুক্তি দেয় এবং তাদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা ইসলামী ছাত্রশিবিরকে গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে সম্পূর্ণ প্রকাশ্যে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ব্যক্তিগত অভিমত প্রকাশ করেন। তবে একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, প্রকাশ্যে আসার আগে সমাজে তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।
সর্ব মিত্র চাকমা তার পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকার পরও ছাত্রশিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করার প্রয়োজনীয়তা কী। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও গত ১৭ বছরে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘শিবিরের কর্মী নিঃশর্তভাবে হত্যাযোগ্য প্রাণ’—এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রদল নেতার বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে শিবিরকর্মীদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অন্য কোনো সংগঠনকে নিয়ে এমন মন্তব্য হলে দেশে নিন্দার ঝড় বইত। কিন্তু শিবিরের ক্ষেত্রে মানবাধিকারের বিষয়টি চরমভাবে উপেক্ষিত। তিনি মন্তব্য করেন, বিষ খাইয়ে কুকুরছানা মেরে ফেললে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে, একজন ‘শিবিরের ছানা’ তথা জলজ্যান্ত মানুষ মরলে তথাকথিত সুশীল সমাজ বা মানবাধিকারকর্মীরা টু শব্দটিও করেন না। এমনকি শিবিরের নেতাকর্মীরাও হয়তো নিজেদের মানবাধিকারহীন ‘হত্যাযোগ্য প্রাণ’ হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন।
সর্ব মিত্র চাকমা তার বক্তব্যের শেষে জোর দিয়ে বলেন, তিনি মনে-প্রাণে চান শিবির প্রকাশ্যে রাজনীতিতে আসুক। তবে তার আগে সমাজ যেন তাদের ‘হত্যাযোগ্য প্রাণ’ হিসেবে দেখার মানসিকতা থেকে মুক্তি দেয় এবং তাদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করে।

আপনার মতামত লিখুন