রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির মধ্যে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান উত্তাল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরানের প্রতি রাশিয়ার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন পুতিন। রুশ সংবাদ সংস্থা আরআইএ-এর বরাতে জানানো হয়েছে, পুতিন আশা প্রকাশ করেছেন ইরান এই কঠিন সময়টি সফলভাবে কাটিয়ে উঠবে এবং দ্রুত দেশটিতে শান্তি ফিরে আসবে।
বৈঠকে পুতিন দৃঢ়তার সঙ্গে জানান যে, রাশিয়া ইরানসহ এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষায় সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই সংকটময় মুহূর্তে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এমন সরাসরি আশ্বাসকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পুতিন বিশ্বাস করেন, ইরানি জনগণ ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে এবং রাশিয়া শুরু থেকেই তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে ইরান ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে আরও একবার স্পষ্ট হলো। বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর চাপের মুখে এই দুই শক্তিশালী দেশের মিত্রতা নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির মধ্যে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান উত্তাল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরানের প্রতি রাশিয়ার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন পুতিন। রুশ সংবাদ সংস্থা আরআইএ-এর বরাতে জানানো হয়েছে, পুতিন আশা প্রকাশ করেছেন ইরান এই কঠিন সময়টি সফলভাবে কাটিয়ে উঠবে এবং দ্রুত দেশটিতে শান্তি ফিরে আসবে।
বৈঠকে পুতিন দৃঢ়তার সঙ্গে জানান যে, রাশিয়া ইরানসহ এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষায় সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই সংকটময় মুহূর্তে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এমন সরাসরি আশ্বাসকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পুতিন বিশ্বাস করেন, ইরানি জনগণ ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে এবং রাশিয়া শুরু থেকেই তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে ইরান ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে আরও একবার স্পষ্ট হলো। বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর চাপের মুখে এই দুই শক্তিশালী দেশের মিত্রতা নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন