ঢাকা নিউজ

ট্রেনের নিচে পড়েও বাবা-ছেলের অলৌকিক জীবনদান



ট্রেনের নিচে পড়েও বাবা-ছেলের অলৌকিক জীবনদান
ছবি : সংগৃহীত

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে চলন্ত ট্রেনের নিচে পড়ে গিয়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া বাবা-ছেলের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন ওমানপ্রবাসী জহিরুল ইসলাম সোহান এবং তার এক বছর বয়সী শিশু সন্তান সৌরভ। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুড়ি ইউনিয়নের চরকাউনিয়া এলাকায় তাদের স্থায়ী নিবাস।

গত মঙ্গলবার দুপুরে ভৈরব থেকে তিতাস কমিউটার ট্রেনে ঢাকা যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রেনে ওঠার পর পাসপোর্ট নিতে ভুলে গেছেন মনে পড়লে জহিরুল তার পরিবারসহ তড়িঘড়ি করে নামার চেষ্টা করেন। এ সময় ট্রেনটি ছেড়ে দিলে তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার প্ল্যাটফর্মে পড়ে যান এবং শিশু সৌরভ ট্রেনের নিচে তলিয়ে যায়। সন্তানকে বাঁচাতে বাবা জহিরুল তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে জাপটে ধরে শুয়ে থাকেন। ওপর দিয়ে ট্রেনের ৮টি বগি চলে গেলেও অলৌকিকভাবে তারা দুজনই অক্ষত থাকেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে বেঁচে ফেরা অবিশ্বাস্য। স্টেশনে উপস্থিত জনতা এই অলৌকিক উদ্ধারে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন। জহিরুল ইসলাম সোহান জানান, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে তিনি সারারাত ইবাদত বন্দেগিতে মগ্ন ছিলেন এবং আজ ভোরেই তার পুনরায় ওমানের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ও পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সিসিটিভি ফুটেজে অসতর্কভাবে ট্রেন থেকে নামার দৃশ্য দেখা গেছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের চলাচলে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই দিন ভৈরবের অন্য এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


ট্রেনের নিচে পড়েও বাবা-ছেলের অলৌকিক জীবনদান

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে চলন্ত ট্রেনের নিচে পড়ে গিয়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া বাবা-ছেলের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন ওমানপ্রবাসী জহিরুল ইসলাম সোহান এবং তার এক বছর বয়সী শিশু সন্তান সৌরভ। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুড়ি ইউনিয়নের চরকাউনিয়া এলাকায় তাদের স্থায়ী নিবাস।

গত মঙ্গলবার দুপুরে ভৈরব থেকে তিতাস কমিউটার ট্রেনে ঢাকা যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রেনে ওঠার পর পাসপোর্ট নিতে ভুলে গেছেন মনে পড়লে জহিরুল তার পরিবারসহ তড়িঘড়ি করে নামার চেষ্টা করেন। এ সময় ট্রেনটি ছেড়ে দিলে তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার প্ল্যাটফর্মে পড়ে যান এবং শিশু সৌরভ ট্রেনের নিচে তলিয়ে যায়। সন্তানকে বাঁচাতে বাবা জহিরুল তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে জাপটে ধরে শুয়ে থাকেন। ওপর দিয়ে ট্রেনের ৮টি বগি চলে গেলেও অলৌকিকভাবে তারা দুজনই অক্ষত থাকেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে বেঁচে ফেরা অবিশ্বাস্য। স্টেশনে উপস্থিত জনতা এই অলৌকিক উদ্ধারে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন। জহিরুল ইসলাম সোহান জানান, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে তিনি সারারাত ইবাদত বন্দেগিতে মগ্ন ছিলেন এবং আজ ভোরেই তার পুনরায় ওমানের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ও পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সিসিটিভি ফুটেজে অসতর্কভাবে ট্রেন থেকে নামার দৃশ্য দেখা গেছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের চলাচলে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই দিন ভৈরবের অন্য এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ