রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনের লাশ বুধবার রাত ৮টার দিকে তার যশোরের বাড়িতে এসে পৌঁছেছে। শহরের কারবালা এলাকার বাড়িতে লাশ পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রাতেই স্থানীয় কারবালা কবরস্থানে জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফন করার কথা রয়েছে।
নিহত টিটন যশোর শহরের কেএম ফকরউদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার হাজারীবাগের সুলতানগঞ্জে বসবাস করছিলেন। গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে মোটরসাইকেলে আসা দুই মুখোশধারী তাকে গুলি করে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার তার বড় ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে অপরাধ জগতে প্রবেশ করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় তার নাম ছিল দ্বিতীয় স্থানে। তিনি একাধিক হত্যা ও অস্ত্র মামলার আসামি ছিলেন এবং ব্যবসায়ী বাবর এলাহী হত্যা মামলায় একসময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি জামিনে মুক্তি পান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, টিটনের মূল তৎপরতা ছিল ধানমন্ডি ও হাজারীবাগ এলাকায়। মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই জানান, বসিলা গরুর হাট নিয়ে অন্য এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর সঙ্গে টিটনের বিরোধ চলছিল। নিউ মার্কেট থানা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনের লাশ বুধবার রাত ৮টার দিকে তার যশোরের বাড়িতে এসে পৌঁছেছে। শহরের কারবালা এলাকার বাড়িতে লাশ পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রাতেই স্থানীয় কারবালা কবরস্থানে জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফন করার কথা রয়েছে।
নিহত টিটন যশোর শহরের কেএম ফকরউদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার হাজারীবাগের সুলতানগঞ্জে বসবাস করছিলেন। গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে মোটরসাইকেলে আসা দুই মুখোশধারী তাকে গুলি করে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার তার বড় ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে অপরাধ জগতে প্রবেশ করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় তার নাম ছিল দ্বিতীয় স্থানে। তিনি একাধিক হত্যা ও অস্ত্র মামলার আসামি ছিলেন এবং ব্যবসায়ী বাবর এলাহী হত্যা মামলায় একসময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি জামিনে মুক্তি পান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, টিটনের মূল তৎপরতা ছিল ধানমন্ডি ও হাজারীবাগ এলাকায়। মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই জানান, বসিলা গরুর হাট নিয়ে অন্য এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর সঙ্গে টিটনের বিরোধ চলছিল। নিউ মার্কেট থানা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন