যুক্তরাষ্ট্রে নন-ইমিগ্র্যান্ট বা অ-অভিবাসী ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের জন্য নতুন ও কঠোর নিয়ম চালু করা হয়েছে। এখন থেকে ভিসা আবেদনের সময় দুটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর 'হ্যাঁ' হলে আবেদনকারীর ভিসা প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং অস্থায়ী কর্মীসহ সব ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে।
আবেদনকারীদের মূলত দুটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে—তারা নিজ দেশে কোনো ধরনের নির্যাতন বা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন কি না এবং দেশে ফিরে গেলে পুনরায় এমন কোনো ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে কি না। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভ্রমণের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়ার প্রবণতা ঠেকাতেই এই যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, কনস্যুলার কর্মকর্তারা জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করেন। তাই আবেদনকারীরা ভিসার শর্তাবলি সঠিকভাবে পূরণ করছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। এর আগে শিক্ষার্থী ভিসা এবং নির্দিষ্ট কিছু দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়ার ওপরও বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও নজরদারি বাড়িয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র সরকার।
তবে নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের মতে, এই নিয়মের কারণে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা জাতিগত নিপীড়নের শিকার প্রকৃত ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা আরও কঠিন হয়ে পড়বে। এমনকি নিরাপত্তার প্রয়োজনে দেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়া ব্যক্তিরা আরও চরম সংকটে পড়তে পারেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে নন-ইমিগ্র্যান্ট বা অ-অভিবাসী ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের জন্য নতুন ও কঠোর নিয়ম চালু করা হয়েছে। এখন থেকে ভিসা আবেদনের সময় দুটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর 'হ্যাঁ' হলে আবেদনকারীর ভিসা প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং অস্থায়ী কর্মীসহ সব ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে।
আবেদনকারীদের মূলত দুটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে—তারা নিজ দেশে কোনো ধরনের নির্যাতন বা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন কি না এবং দেশে ফিরে গেলে পুনরায় এমন কোনো ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে কি না। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভ্রমণের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়ার প্রবণতা ঠেকাতেই এই যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, কনস্যুলার কর্মকর্তারা জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করেন। তাই আবেদনকারীরা ভিসার শর্তাবলি সঠিকভাবে পূরণ করছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। এর আগে শিক্ষার্থী ভিসা এবং নির্দিষ্ট কিছু দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়ার ওপরও বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও নজরদারি বাড়িয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র সরকার।
তবে নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের মতে, এই নিয়মের কারণে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা জাতিগত নিপীড়নের শিকার প্রকৃত ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা আরও কঠিন হয়ে পড়বে। এমনকি নিরাপত্তার প্রয়োজনে দেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়া ব্যক্তিরা আরও চরম সংকটে পড়তে পারেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন