ঢাকা নিউজ

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১৪০ ডলার ছাড়ানোর আশঙ্কা ইরানি স্পিকারের



বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১৪০ ডলার ছাড়ানোর আশঙ্কা ইরানি স্পিকারের
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ইতোমধ্যে ১২০ ডলার ছাড়িয়েছে এবং অচিরেই তা ১৪০ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ব্যঙ্গাত্মক পোস্টে গালিবাফ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি পূর্ববর্তী দাবি নিয়ে বিদ্রূপ করেন। গত ২৬ এপ্রিল ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, তিন দিনের মধ্যে ইরানের তেলকূপগুলো বিস্ফোরিত হতে শুরু করবে। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর গালিবাফ লেখেন, তিন দিন পার হলেও কোনো কূপ ফাটেনি এবং চাইলে এই সময়সীমা আরও বাড়িয়ে লাইভস্ট্রিমিং করা যেতে পারে।

সাবেক এই সামরিক কমান্ডার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের দেওয়া পরামর্শকে ‘ভুল’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক চাপের যে তত্ত্ব দিচ্ছে, তা হিতে বিপরীত হয়ে তেলের বাজারকে আরও অস্থির করে তুলেছে। গালিবাফের মতে, এই ভুল মানসিকতার কারণেই তেলের দাম ১২০ ডলারের ওপরে চলে গেছে এবং সামনে তা আরও বাড়বে।

বর্তমানে ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন বাহিনী ইরানের সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। হোয়াইট হাউসের লক্ষ্য হলো তেহরানকে তেল উৎপাদন কমাতে বা অবকাঠামোগত ক্ষতির মুখে ফেলে স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে বাধ্য করা। তবে এই উত্তেজনার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ সংকুচিত হওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ইতোমধ্যে ৬ শতাংশ বেড়ে ১১৮ ডলারে পৌঁছেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১৪০ ডলার ছাড়ানোর আশঙ্কা ইরানি স্পিকারের

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ইতোমধ্যে ১২০ ডলার ছাড়িয়েছে এবং অচিরেই তা ১৪০ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ব্যঙ্গাত্মক পোস্টে গালিবাফ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি পূর্ববর্তী দাবি নিয়ে বিদ্রূপ করেন। গত ২৬ এপ্রিল ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, তিন দিনের মধ্যে ইরানের তেলকূপগুলো বিস্ফোরিত হতে শুরু করবে। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর গালিবাফ লেখেন, তিন দিন পার হলেও কোনো কূপ ফাটেনি এবং চাইলে এই সময়সীমা আরও বাড়িয়ে লাইভস্ট্রিমিং করা যেতে পারে।

সাবেক এই সামরিক কমান্ডার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের দেওয়া পরামর্শকে ‘ভুল’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক চাপের যে তত্ত্ব দিচ্ছে, তা হিতে বিপরীত হয়ে তেলের বাজারকে আরও অস্থির করে তুলেছে। গালিবাফের মতে, এই ভুল মানসিকতার কারণেই তেলের দাম ১২০ ডলারের ওপরে চলে গেছে এবং সামনে তা আরও বাড়বে।

বর্তমানে ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন বাহিনী ইরানের সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। হোয়াইট হাউসের লক্ষ্য হলো তেহরানকে তেল উৎপাদন কমাতে বা অবকাঠামোগত ক্ষতির মুখে ফেলে স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে বাধ্য করা। তবে এই উত্তেজনার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ সংকুচিত হওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ইতোমধ্যে ৬ শতাংশ বেড়ে ১১৮ ডলারে পৌঁছেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ