ফিফা কংগ্রেসে অংশ নিতে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে যাওয়ার কথা থাকলেও ইরানের ফুটবল প্রধান মেহেদি তাজকে দেশটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। গত ৩০ এপ্রিল ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম ও ইউএসএ টুডে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মেহেদি তাজের সঙ্গে ফেডারেশনের আরও দুই কর্মকর্তা হেদায়াত মমবেইনি ও হামিদ মোমেনিকেও বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈধ ভিসা এবং অস্থায়ী রেসিডেন্ট পারমিট থাকা সত্ত্বেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘অসদাচরণের’ অভিযোগে তাদের প্রবেশাধিকার বাতিল করা হয়। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে গভীরতর কারণ হিসেবে ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে মেহেদি তাজের পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্টতাকে দায়ী করা হয়েছে।
অতীত জীবনে মেহেদি তাজ আইআরজিসির একজন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কানাডা এই সংস্থাটিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করার কারণে তাদের নীতি অনুযায়ী আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের পর শেষ পর্যন্ত তাদের ফেরত পাঠায় কানাডার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
কানাডার অভিবাসন বিভাগ নির্দিষ্ট এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও জানিয়েছে, আইআরজিসি সম্পর্কিত ব্যক্তিদের বিষয়ে তাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। দেশের নিরাপত্তা ও নীতি বজায় রাখতে এই ধরনের ব্যক্তিদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখা হবে বলেও তারা স্পষ্ট করেছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ফিফা কংগ্রেসে অংশ নিতে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে যাওয়ার কথা থাকলেও ইরানের ফুটবল প্রধান মেহেদি তাজকে দেশটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। গত ৩০ এপ্রিল ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম ও ইউএসএ টুডে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মেহেদি তাজের সঙ্গে ফেডারেশনের আরও দুই কর্মকর্তা হেদায়াত মমবেইনি ও হামিদ মোমেনিকেও বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈধ ভিসা এবং অস্থায়ী রেসিডেন্ট পারমিট থাকা সত্ত্বেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘অসদাচরণের’ অভিযোগে তাদের প্রবেশাধিকার বাতিল করা হয়। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে গভীরতর কারণ হিসেবে ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে মেহেদি তাজের পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্টতাকে দায়ী করা হয়েছে।
অতীত জীবনে মেহেদি তাজ আইআরজিসির একজন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কানাডা এই সংস্থাটিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করার কারণে তাদের নীতি অনুযায়ী আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের পর শেষ পর্যন্ত তাদের ফেরত পাঠায় কানাডার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
কানাডার অভিবাসন বিভাগ নির্দিষ্ট এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও জানিয়েছে, আইআরজিসি সম্পর্কিত ব্যক্তিদের বিষয়ে তাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। দেশের নিরাপত্তা ও নীতি বজায় রাখতে এই ধরনের ব্যক্তিদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখা হবে বলেও তারা স্পষ্ট করেছে।

আপনার মতামত লিখুন