ঢাকা নিউজ

বিতর্কিত নথিতে প্রবাসী কর্মীকে পাওনা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ



বিতর্কিত নথিতে প্রবাসী কর্মীকে পাওনা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী হংকং-ভিত্তিক গার্মেন্টস সোর্সিং প্রতিষ্ঠান ‘পোয়েটিকজেম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’-এর বিরুদ্ধে এক প্রবাসী কর্মীকে পাওনা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। একটি বিতর্কিত পদত্যাগপত্র ব্যবহার করে ওই কর্মীর সার্ভিস বেনিফিট আটকে দেওয়ার অভিযোগে বর্তমানে সিআইডি (অপরাধ তদন্ত বিভাগ) তদন্ত চালাচ্ছে।

ঘটনার মূল বিষয়সমূহ:

  • বিপরীতমুখী মামলা: কোম্পানিটির সিনিয়র ম্যানেজার (এইচআরবিপি) বদরুজ্জামান সুমন সাবেক ওই কর্মীর বিরুদ্ধে ১৩৫ কোটি টাকার ক্ষতির দাবি করে একটি ফৌজদারি মামলা করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই কর্মী ভুয়া ইমেইল ব্যবহার করে কোম্পানির তথ্য ফাঁস ও অপপ্রচার চালিয়েছেন। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী কর্মীও জালিয়াতি ও মানহানির পাল্টা মামলা করেছেন।

  • নথি জালিয়াতির অভিযোগ: মামলার নথিতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মী যখন ভারতে অবস্থান করছিলেন, তখন তার ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্বলিত একটি পদত্যাগপত্র তৈরি করা হয়েছিল। এর সপক্ষে ওই কর্মী তার পাসপোর্ট ও অভিবাসন রেকর্ড আদালতে দাখিল করেছেন।

  • পাওনা নিয়ে বিরোধ: কোম্পানিটি শুরুতে ১,৫১,৬০০ মার্কিন ডলার নিষ্পত্তির প্রস্তাব দিলেও, ওই কর্মীর দাবি ৯,১৭,৩৯৩ মার্কিন ডলার। ১৩ বছরের চাকরি, বকেয়া বেতন, ইএসওপি এবং চুক্তিভিত্তিক পাওনা মিলিয়ে তিনি এই দাবি করেছেন।

  • আইনি অবস্থান: ভুক্তভোগী কর্মী ঢাকার শ্রম আদালত ও সিএমএম আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন। শ্রম আইনের ২(৬৫) ধারা অনুযায়ী নিজেকে ‘শ্রমিক’ দাবি করে তিনি গ্র্যাচুইটি ও ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন।

সিআইডির সাব-ইন্সপেক্টর হারুনুর রশিদ জানিয়েছেন, ভারতীয় ওই প্রবাসী কর্মীর দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এই বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


বিতর্কিত নথিতে প্রবাসী কর্মীকে পাওনা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী হংকং-ভিত্তিক গার্মেন্টস সোর্সিং প্রতিষ্ঠান ‘পোয়েটিকজেম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’-এর বিরুদ্ধে এক প্রবাসী কর্মীকে পাওনা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। একটি বিতর্কিত পদত্যাগপত্র ব্যবহার করে ওই কর্মীর সার্ভিস বেনিফিট আটকে দেওয়ার অভিযোগে বর্তমানে সিআইডি (অপরাধ তদন্ত বিভাগ) তদন্ত চালাচ্ছে।

ঘটনার মূল বিষয়সমূহ:

  • বিপরীতমুখী মামলা: কোম্পানিটির সিনিয়র ম্যানেজার (এইচআরবিপি) বদরুজ্জামান সুমন সাবেক ওই কর্মীর বিরুদ্ধে ১৩৫ কোটি টাকার ক্ষতির দাবি করে একটি ফৌজদারি মামলা করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই কর্মী ভুয়া ইমেইল ব্যবহার করে কোম্পানির তথ্য ফাঁস ও অপপ্রচার চালিয়েছেন। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী কর্মীও জালিয়াতি ও মানহানির পাল্টা মামলা করেছেন।

  • নথি জালিয়াতির অভিযোগ: মামলার নথিতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মী যখন ভারতে অবস্থান করছিলেন, তখন তার ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্বলিত একটি পদত্যাগপত্র তৈরি করা হয়েছিল। এর সপক্ষে ওই কর্মী তার পাসপোর্ট ও অভিবাসন রেকর্ড আদালতে দাখিল করেছেন।

  • পাওনা নিয়ে বিরোধ: কোম্পানিটি শুরুতে ১,৫১,৬০০ মার্কিন ডলার নিষ্পত্তির প্রস্তাব দিলেও, ওই কর্মীর দাবি ৯,১৭,৩৯৩ মার্কিন ডলার। ১৩ বছরের চাকরি, বকেয়া বেতন, ইএসওপি এবং চুক্তিভিত্তিক পাওনা মিলিয়ে তিনি এই দাবি করেছেন।

  • আইনি অবস্থান: ভুক্তভোগী কর্মী ঢাকার শ্রম আদালত ও সিএমএম আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন। শ্রম আইনের ২(৬৫) ধারা অনুযায়ী নিজেকে ‘শ্রমিক’ দাবি করে তিনি গ্র্যাচুইটি ও ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন।

সিআইডির সাব-ইন্সপেক্টর হারুনুর রশিদ জানিয়েছেন, ভারতীয় ওই প্রবাসী কর্মীর দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এই বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ