সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে আনা প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ পণ্য আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৮ বিজিবি)। রোববার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট ব্যাটালিয়নের বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী বাংলাবাজার, বিছনাকান্দি, প্রতাপপুর ও শ্রীপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় পৃথক চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে এই সাফল্য অর্জন করে।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মহিষ, জিরা, কসমেটিকস, বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী, মদ এবং মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের সময় শিং মাছ, সুপারি ও ট্রাউজার উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে পাথর পরিবহনের দায়ে ইঞ্জিনচালিত ট্রলিও আটক করে বিজিবি। উদ্ধারকৃত এসব মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৯০ লাখ ৮ হাজার ৭০ টাকা বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিলেট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযানিক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে জোরদার রাখা হয়েছে। আটককৃত মালামালসমূহের বিষয়ে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এই অভিযান সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির কঠোর অবস্থানেরই অংশ।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে আনা প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ পণ্য আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৮ বিজিবি)। রোববার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট ব্যাটালিয়নের বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী বাংলাবাজার, বিছনাকান্দি, প্রতাপপুর ও শ্রীপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় পৃথক চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে এই সাফল্য অর্জন করে।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মহিষ, জিরা, কসমেটিকস, বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী, মদ এবং মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের সময় শিং মাছ, সুপারি ও ট্রাউজার উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে পাথর পরিবহনের দায়ে ইঞ্জিনচালিত ট্রলিও আটক করে বিজিবি। উদ্ধারকৃত এসব মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৯০ লাখ ৮ হাজার ৭০ টাকা বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিলেট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযানিক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে জোরদার রাখা হয়েছে। আটককৃত মালামালসমূহের বিষয়ে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এই অভিযান সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির কঠোর অবস্থানেরই অংশ।

আপনার মতামত লিখুন