বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল বা দলীয় ফান্ডে চাঁদা সংগ্রহের পদ্ধতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সোমবার (৪ মে) সকালে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন, ইসলাম ও ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে চাঁদা সংগ্রহ করা ‘ধোঁকাবাজি বা চাঁদাবাজির’ শামিল হতে পারে। এই স্ট্যাটাসে তিনি জামায়াত নেতা ও সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের একটি ভিডিও বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন।
রাশেদ খান তার পোস্টে উল্লেখ করেন, শফিকুল ইসলাম মাসুদকে একটি ভিডিওতে বলতে শোনা গেছে যে, কর্মীরা বায়তুল মালের মাসিক চাঁদা দিতে না পারলেও স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করেন। এই বিষয়টির সমালোচনা করে রাশেদ খান লিখেছেন, ‘আগে বায়তুল মালের মাসিক চাঁদা প্রদান নাকি বউয়ের চিকিৎসা? বউ গেলে বউ পাওয়া যাবে কিন্তু বায়তুল মালে চাঁদা না দিলে তো দল টিকবে না!’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইসলামের নামে এমন উদাহরণ ব্যবহার করে অনুদান সংগ্রহ করা শরিয়তসম্মত কি না।
বিএনপি নেতার দাবি, কোনো রাজনৈতিক দল যদি কোরআন-হাদিসের রেফারেন্স ব্যবহার করে দল চালানোর জন্য এ ধরনের উদাহরণ দিয়ে চাঁদা আদায় করে, তবে সেটি ইসলামের সাথে কপটতা ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি আরও বলেন, যারা প্রকৃত অর্থে ইসলামিক আদর্শ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করতে চায়, তাদের জন্য এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত বিব্রতকর। এ সময় তিনি এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর একটি পুরনো মন্তব্যের সূত্র ধরে জামায়াতে ইসলামীর আদর্শিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ইসলামের নামে এমন ‘কপটতা’ বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেওয়া এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মূলত দলীয় শৃঙ্খলার নামে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক চাহিদার ওপর রাজনৈতিক চাঁদার গুরুত্বারোপ করার বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল বা দলীয় ফান্ডে চাঁদা সংগ্রহের পদ্ধতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সোমবার (৪ মে) সকালে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন, ইসলাম ও ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে চাঁদা সংগ্রহ করা ‘ধোঁকাবাজি বা চাঁদাবাজির’ শামিল হতে পারে। এই স্ট্যাটাসে তিনি জামায়াত নেতা ও সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের একটি ভিডিও বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন।
রাশেদ খান তার পোস্টে উল্লেখ করেন, শফিকুল ইসলাম মাসুদকে একটি ভিডিওতে বলতে শোনা গেছে যে, কর্মীরা বায়তুল মালের মাসিক চাঁদা দিতে না পারলেও স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করেন। এই বিষয়টির সমালোচনা করে রাশেদ খান লিখেছেন, ‘আগে বায়তুল মালের মাসিক চাঁদা প্রদান নাকি বউয়ের চিকিৎসা? বউ গেলে বউ পাওয়া যাবে কিন্তু বায়তুল মালে চাঁদা না দিলে তো দল টিকবে না!’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইসলামের নামে এমন উদাহরণ ব্যবহার করে অনুদান সংগ্রহ করা শরিয়তসম্মত কি না।
বিএনপি নেতার দাবি, কোনো রাজনৈতিক দল যদি কোরআন-হাদিসের রেফারেন্স ব্যবহার করে দল চালানোর জন্য এ ধরনের উদাহরণ দিয়ে চাঁদা আদায় করে, তবে সেটি ইসলামের সাথে কপটতা ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি আরও বলেন, যারা প্রকৃত অর্থে ইসলামিক আদর্শ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করতে চায়, তাদের জন্য এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত বিব্রতকর। এ সময় তিনি এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর একটি পুরনো মন্তব্যের সূত্র ধরে জামায়াতে ইসলামীর আদর্শিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ইসলামের নামে এমন ‘কপটতা’ বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেওয়া এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মূলত দলীয় শৃঙ্খলার নামে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক চাহিদার ওপর রাজনৈতিক চাঁদার গুরুত্বারোপ করার বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন