বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, কেবল ভোট দিয়ে বেহেশত লাভ করা সম্ভব নয়, বরং মানুষের আমলই পরকালের আসল পাথেয়। রোববার বিকেলে রাজধানীর হাজারীবাগ পার্কে শহীদ নাসির উদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক দোয়া ও আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি ধর্মীয় অপব্যাখ্যার সমালোচনা করে বলেন, নির্দিষ্ট কোনো প্রতীকে ভোট দিলেই বেহেশতে যাওয়া যাবে—এমন ধারণা ভুল এবং প্রকৃত ইসলামের বিধান ও ইবাদত পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তব্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত থেকে সারাজীবন জনগণের জন্য কাজ করে গেছেন এবং সেই একই আপসহীন ধারা বজায় রেখেছেন খালেদা জিয়া। গুণী এই নেতাদের বিদায়বেলায় বৃষ্টির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, যারা জনগণের জন্য কাজ করেন তাদের বিদায়লগ্নে প্রকৃতির এই রূপ আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরনের শুভ বার্তা ও আত্মার শান্তির প্রতীক।
শহীদ নাসির উদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুকে একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে স্মরণ করে তিনি জেলখানায় পিন্টুর সাথে কাটানো স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, পিন্টু কর্মীদের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন এবং সবসময় তাদের অভাব-অভিযোগ ও পছন্দের খোঁজ রাখতেন। এমন ত্যাগী কর্মীদের কারণেই বিএনপি সব ধরনের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে টিকে আছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তাঁর বক্তব্যে নারী ক্ষমতায়ন ও বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই নারীদের বিমানচালক, পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগের মাধ্যমে মূল ধারায় আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নারী-পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করা ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার্স কার্ডের মতো জনবান্ধব উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
সবশেষে তিনি রাজনৈতিক দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, জনগণের ভোট মানেই হলো তাদের অভাব-অনটন দূর করা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আমানত। এই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের কাপুরুষতা না দেখিয়ে সবসময় জনগণের পাশে থাকার জন্য তিনি নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে মরহুম পিন্টুর আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, কেবল ভোট দিয়ে বেহেশত লাভ করা সম্ভব নয়, বরং মানুষের আমলই পরকালের আসল পাথেয়। রোববার বিকেলে রাজধানীর হাজারীবাগ পার্কে শহীদ নাসির উদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক দোয়া ও আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি ধর্মীয় অপব্যাখ্যার সমালোচনা করে বলেন, নির্দিষ্ট কোনো প্রতীকে ভোট দিলেই বেহেশতে যাওয়া যাবে—এমন ধারণা ভুল এবং প্রকৃত ইসলামের বিধান ও ইবাদত পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তব্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত থেকে সারাজীবন জনগণের জন্য কাজ করে গেছেন এবং সেই একই আপসহীন ধারা বজায় রেখেছেন খালেদা জিয়া। গুণী এই নেতাদের বিদায়বেলায় বৃষ্টির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, যারা জনগণের জন্য কাজ করেন তাদের বিদায়লগ্নে প্রকৃতির এই রূপ আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরনের শুভ বার্তা ও আত্মার শান্তির প্রতীক।
শহীদ নাসির উদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুকে একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে স্মরণ করে তিনি জেলখানায় পিন্টুর সাথে কাটানো স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, পিন্টু কর্মীদের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন এবং সবসময় তাদের অভাব-অভিযোগ ও পছন্দের খোঁজ রাখতেন। এমন ত্যাগী কর্মীদের কারণেই বিএনপি সব ধরনের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে টিকে আছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তাঁর বক্তব্যে নারী ক্ষমতায়ন ও বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই নারীদের বিমানচালক, পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগের মাধ্যমে মূল ধারায় আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নারী-পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করা ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার্স কার্ডের মতো জনবান্ধব উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
সবশেষে তিনি রাজনৈতিক দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, জনগণের ভোট মানেই হলো তাদের অভাব-অনটন দূর করা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আমানত। এই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের কাপুরুষতা না দেখিয়ে সবসময় জনগণের পাশে থাকার জন্য তিনি নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে মরহুম পিন্টুর আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন