ঢাকা নিউজ

নবজাতকের ক্ষুধার ভাষা বুঝবেন যেসব লক্ষণে



নবজাতকের ক্ষুধার ভাষা বুঝবেন যেসব লক্ষণে
ছবি : সংগৃহীত

নবজাতকের আগমন যেমন আনন্দের, তেমনি নতুন বাবা-মায়েদের জন্য তার অব্যক্ত ভাষা বোঝা এক বড় চ্যালেঞ্জ। শিশু কথা বলতে না পারায় কান্না ও শারীরিক ইঙ্গিতের মাধ্যমে প্রয়োজন প্রকাশ করে। তবে কান্না শুরু হওয়ার আগেই ক্ষুধার লক্ষণগুলো শনাক্ত করতে পারলে শিশুকে শান্তভাবে খাওয়ানো সম্ভব হয়।

সাধারণত একটি নবজাতককে দিনে ৮ থেকে ১০ বার খাওয়ানো প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে শিশুরা অনিয়মিত বিরতিতে খেতে চায়, তবে সর্বোচ্চ পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে খাওয়ানো উচিত। বিশেষ করে অপরিণত শিশুর ক্ষেত্রে অন্তত প্রতি তিন ঘণ্টায় একবার খাওয়ানো জরুরি।

ক্ষুধার্ত হলে শিশুরা কান্নার আগে কিছু নির্দিষ্ট আগাম সংকেত দেয়। এর মধ্যে রয়েছে মুখ খোলা-বন্ধ করা, মাথা এদিক-ওদিক ঘোরানো, হাত মুখে নেওয়া, আঙুল বা মুঠি চোষা, ঠোঁট চাটা এবং অস্থিরতা বা শরীর নাড়াচাড়া করা। শিশুর সঙ্গে ত্বকের সংস্পর্শ বজায় রাখলে এই সংকেতগুলো বোঝা সহজ হয়।

সব কান্না ক্ষুধার লক্ষণ নয়। শিশু যদি ভালোভাবে দুধ পান করে তবেই বোঝা যাবে সে ক্ষুধার্ত ছিল। কিন্তু কান্না না থামা, পা গুটিয়ে ফেলা বা চোখ ঘষার মতো আচরণ করলে বুঝতে হবে তার গ্যাস, ক্লান্তি, ভেজা ডায়াপার বা আদরের প্রয়োজন রয়েছে।

শিশুর জীবনের দ্বিতীয় সপ্তাহ, ষষ্ঠ সপ্তাহ এবং তিন মাস বয়সে দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে। এই নির্দিষ্ট সময়গুলোতে তারা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খাবার চাইতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কঠোর সময়সূচীর বদলে শিশুর চাহিদা অনুযায়ী খাওয়ানোই উত্তম। এতে শিশুর আরাম হয় এবং খাওয়ানোর অভিজ্ঞতাও সহজ হয়। তবে প্রতিটি কান্নাকেই ক্ষুধা ভেবে অতিরিক্ত খাওয়ানো উচিত নয়, এতে শিশুর হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই শিশুর আচরণ পর্যবেক্ষণ করে শান্ত পরিবেশে সঠিক অবস্থানে শিশুকে খাওয়ানো জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


নবজাতকের ক্ষুধার ভাষা বুঝবেন যেসব লক্ষণে

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

নবজাতকের আগমন যেমন আনন্দের, তেমনি নতুন বাবা-মায়েদের জন্য তার অব্যক্ত ভাষা বোঝা এক বড় চ্যালেঞ্জ। শিশু কথা বলতে না পারায় কান্না ও শারীরিক ইঙ্গিতের মাধ্যমে প্রয়োজন প্রকাশ করে। তবে কান্না শুরু হওয়ার আগেই ক্ষুধার লক্ষণগুলো শনাক্ত করতে পারলে শিশুকে শান্তভাবে খাওয়ানো সম্ভব হয়।

সাধারণত একটি নবজাতককে দিনে ৮ থেকে ১০ বার খাওয়ানো প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে শিশুরা অনিয়মিত বিরতিতে খেতে চায়, তবে সর্বোচ্চ পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে খাওয়ানো উচিত। বিশেষ করে অপরিণত শিশুর ক্ষেত্রে অন্তত প্রতি তিন ঘণ্টায় একবার খাওয়ানো জরুরি।

ক্ষুধার্ত হলে শিশুরা কান্নার আগে কিছু নির্দিষ্ট আগাম সংকেত দেয়। এর মধ্যে রয়েছে মুখ খোলা-বন্ধ করা, মাথা এদিক-ওদিক ঘোরানো, হাত মুখে নেওয়া, আঙুল বা মুঠি চোষা, ঠোঁট চাটা এবং অস্থিরতা বা শরীর নাড়াচাড়া করা। শিশুর সঙ্গে ত্বকের সংস্পর্শ বজায় রাখলে এই সংকেতগুলো বোঝা সহজ হয়।

সব কান্না ক্ষুধার লক্ষণ নয়। শিশু যদি ভালোভাবে দুধ পান করে তবেই বোঝা যাবে সে ক্ষুধার্ত ছিল। কিন্তু কান্না না থামা, পা গুটিয়ে ফেলা বা চোখ ঘষার মতো আচরণ করলে বুঝতে হবে তার গ্যাস, ক্লান্তি, ভেজা ডায়াপার বা আদরের প্রয়োজন রয়েছে।

শিশুর জীবনের দ্বিতীয় সপ্তাহ, ষষ্ঠ সপ্তাহ এবং তিন মাস বয়সে দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে। এই নির্দিষ্ট সময়গুলোতে তারা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খাবার চাইতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কঠোর সময়সূচীর বদলে শিশুর চাহিদা অনুযায়ী খাওয়ানোই উত্তম। এতে শিশুর আরাম হয় এবং খাওয়ানোর অভিজ্ঞতাও সহজ হয়। তবে প্রতিটি কান্নাকেই ক্ষুধা ভেবে অতিরিক্ত খাওয়ানো উচিত নয়, এতে শিশুর হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই শিশুর আচরণ পর্যবেক্ষণ করে শান্ত পরিবেশে সঠিক অবস্থানে শিশুকে খাওয়ানো জরুরি।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ