ঢাকা নিউজ

শেরপুরে ডিভাইসসহ গ্রেপ্তার ৫ কনস্টেবল পরীক্ষার্থী



শেরপুরে ডিভাইসসহ গ্রেপ্তার ৫ কনস্টেবল পরীক্ষার্থী
ছবি : সংগৃহীত

শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অভিনব কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুল কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা চলাকালীন তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন, জনপ্রতি ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষায় পাসের চুক্তিতে তারা এই ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করছিলেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. মহিউর রহমান মশাল, মো. মমিনুল ইসলাম মমিন, মো. রসুল মিয়া, মো. রায়হান হোসেন এবং মো. শান্ত মিয়া।

পুলিশ জানায়, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদের লিখিত পরীক্ষা চলাকালীন ওই পাঁচ পরীক্ষার্থীর কাছে বিশেষভাবে তৈরি গেঞ্জি ও জুতার ভেতর লুকানো ডিভাইস এবং কানে ইয়ারফোন পাওয়া যায়। ডিভাইসগুলো লুকানোর জন্য তাদের পরিধেয় বস্ত্রগুলো অত্যন্ত সুকৌশলে তৈরি করা হয়েছিল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানিয়েছেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এই জালিয়াতির প্রশিক্ষণ দিয়েছিল। পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


শেরপুরে ডিভাইসসহ গ্রেপ্তার ৫ কনস্টেবল পরীক্ষার্থী

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image

শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অভিনব কায়দায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুল কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা চলাকালীন তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন, জনপ্রতি ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষায় পাসের চুক্তিতে তারা এই ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করছিলেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. মহিউর রহমান মশাল, মো. মমিনুল ইসলাম মমিন, মো. রসুল মিয়া, মো. রায়হান হোসেন এবং মো. শান্ত মিয়া।

পুলিশ জানায়, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদের লিখিত পরীক্ষা চলাকালীন ওই পাঁচ পরীক্ষার্থীর কাছে বিশেষভাবে তৈরি গেঞ্জি ও জুতার ভেতর লুকানো ডিভাইস এবং কানে ইয়ারফোন পাওয়া যায়। ডিভাইসগুলো লুকানোর জন্য তাদের পরিধেয় বস্ত্রগুলো অত্যন্ত সুকৌশলে তৈরি করা হয়েছিল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানিয়েছেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এই জালিয়াতির প্রশিক্ষণ দিয়েছিল। পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ