যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিজ মেয়েকে অনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুন। শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে ওই কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা শেষে প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন গোপনে তার মেয়ের উত্তরপত্রটি সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে কর্মচারী ফাতেমা খাতুনের সহায়তায় উত্তরপত্রের ভুলগুলো সংশোধন করে পুনরায় তা জমা দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ এবং উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান সরেজমিনে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পান। এই ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং রাতেই ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে শনিবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিজ মেয়েকে অনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুন। শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে ওই কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা শেষে প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন গোপনে তার মেয়ের উত্তরপত্রটি সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে কর্মচারী ফাতেমা খাতুনের সহায়তায় উত্তরপত্রের ভুলগুলো সংশোধন করে পুনরায় তা জমা দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ এবং উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান সরেজমিনে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পান। এই ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং রাতেই ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে শনিবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন