পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘুস নেওয়ার একটি পুরনো ভিডিও নতুন করে ভাইরাল হওয়ায় রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। মূলত ২০১৬ সালের নারদা স্টিং অপারেশনের আদলে ধারণ করা এই ভিডিওটি একসময় বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল। বর্তমানে ভিডিওটি বিজেপির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে রহস্যজনকভাবে সরিয়ে ফেলায় শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে নতুন করে বাকযুদ্ধ উসকে দিয়েছে। তৎকালীন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরপরই দলটি তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বিতর্কিত এই ভিডিওটি সরিয়ে ফেলে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির এই পদক্ষেপকে সমালোচকরা দ্বিমুখী নীতি হিসেবে দেখছেন। তাদের দাবি, গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পর নেতাদের অতীত দুর্নীতির রেকর্ড মুছে ফেলে তাদের পবিত্র করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর মতে, বিজেপির দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই মূলত রাজনৈতিক সুবিধার ওপর নির্ভরশীল এবং ভিডিও সরিয়ে ফেলা তাদের পক্ষপাতমূলক আচরণের বড় প্রমাণ। বিজেপি তাদের চ্যানেল থেকে ভিডিওটি মুছে দিলেও বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্মে এটি এখন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এই ডিজিটাল লড়াই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আদর্শের চেয়ে দলের কৌশলগত স্বার্থের প্রভাবকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘুস নেওয়ার একটি পুরনো ভিডিও নতুন করে ভাইরাল হওয়ায় রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। মূলত ২০১৬ সালের নারদা স্টিং অপারেশনের আদলে ধারণ করা এই ভিডিওটি একসময় বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল। বর্তমানে ভিডিওটি বিজেপির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে রহস্যজনকভাবে সরিয়ে ফেলায় শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে নতুন করে বাকযুদ্ধ উসকে দিয়েছে। তৎকালীন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরপরই দলটি তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বিতর্কিত এই ভিডিওটি সরিয়ে ফেলে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির এই পদক্ষেপকে সমালোচকরা দ্বিমুখী নীতি হিসেবে দেখছেন। তাদের দাবি, গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পর নেতাদের অতীত দুর্নীতির রেকর্ড মুছে ফেলে তাদের পবিত্র করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর মতে, বিজেপির দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই মূলত রাজনৈতিক সুবিধার ওপর নির্ভরশীল এবং ভিডিও সরিয়ে ফেলা তাদের পক্ষপাতমূলক আচরণের বড় প্রমাণ। বিজেপি তাদের চ্যানেল থেকে ভিডিওটি মুছে দিলেও বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্মে এটি এখন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এই ডিজিটাল লড়াই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আদর্শের চেয়ে দলের কৌশলগত স্বার্থের প্রভাবকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন