হজ ইসলামের একটি মৌলিক স্তম্ভ এবং আত্মশুদ্ধির এক অনন্য মাধ্যম। হজের সঠিক পালনের জন্য এর ফরজ ও ওয়াজিব আমলগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
হজের ফরজগুলো বাদ পড়লে হজ আদায় হবে না। এগুলো হলো:
ইহরাম পরিধান: মিকাত থেকে নির্দিষ্ট নিয়মে হজের নিয়তে ইহরাম বাঁধা। এর জন্য মনে মনে সংকল্প (নিয়ত) করা এবং ‘তালবিয়া’ পাঠ করা আবশ্যক।
আরাফার ময়দানে অবস্থান: ৯ জিলহজ সূর্য ঢলে পড়ার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফার ময়দানে অবস্থান করা। এটি হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রোকন।
তাওয়াফে জিয়ারত: ১০ থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের মধ্যে কাবাঘর সাতবার প্রদক্ষিণ করা।
ওয়াজিব আমলগুলো স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলে ‘দম’ বা কুরবানি দেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে যায়: ১. মুজদালিফায় অবস্থান: আরাফা থেকে ফিরে ১০ জিলহজ রাতে মুজদালিফায় অবস্থান করা এবং সেখানে মাগরিব ও এশা একত্রে আদায় করা। ২. কংকর নিক্ষেপ: মিনায় শয়তানকে (জামারাতে) নির্দিষ্ট নিয়মে পাথর বা কংকর নিক্ষেপ করা। ৩. কুরবানি করা: তামাত্তু ও কিরান হজ পালনকারীদের জন্য ১০ জিলহজ পশু কুরবানি করা বাধ্যতামূলক। ৪. মাথা মুণ্ডানো বা চুল ছাঁটা: কুরবানির পর মাথা মুণ্ডানো (পুরুষদের জন্য) অথবা সামান্য চুল ছোট করা। ৫. সাঈ করা: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাতবার দৌড়ানো বা আসা-যাওয়া করা। ৬. বিদায়ী তাওয়াফ: মক্কা ত্যাগের আগে সর্বশেষ তাওয়াফ সম্পন্ন করা (বিদেশি হাজীদের জন্য)।
হজের এই প্রতিটি ধাপ আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও ত্যাগের প্রতীক। হজে যাওয়ার পূর্বে এই নিয়মগুলো সঠিকভাবে জেনে নেওয়া শুদ্ধ ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
হজ ইসলামের একটি মৌলিক স্তম্ভ এবং আত্মশুদ্ধির এক অনন্য মাধ্যম। হজের সঠিক পালনের জন্য এর ফরজ ও ওয়াজিব আমলগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
হজের ফরজগুলো বাদ পড়লে হজ আদায় হবে না। এগুলো হলো:
ইহরাম পরিধান: মিকাত থেকে নির্দিষ্ট নিয়মে হজের নিয়তে ইহরাম বাঁধা। এর জন্য মনে মনে সংকল্প (নিয়ত) করা এবং ‘তালবিয়া’ পাঠ করা আবশ্যক।
আরাফার ময়দানে অবস্থান: ৯ জিলহজ সূর্য ঢলে পড়ার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফার ময়দানে অবস্থান করা। এটি হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রোকন।
তাওয়াফে জিয়ারত: ১০ থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের মধ্যে কাবাঘর সাতবার প্রদক্ষিণ করা।
ওয়াজিব আমলগুলো স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলে ‘দম’ বা কুরবানি দেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে যায়: ১. মুজদালিফায় অবস্থান: আরাফা থেকে ফিরে ১০ জিলহজ রাতে মুজদালিফায় অবস্থান করা এবং সেখানে মাগরিব ও এশা একত্রে আদায় করা। ২. কংকর নিক্ষেপ: মিনায় শয়তানকে (জামারাতে) নির্দিষ্ট নিয়মে পাথর বা কংকর নিক্ষেপ করা। ৩. কুরবানি করা: তামাত্তু ও কিরান হজ পালনকারীদের জন্য ১০ জিলহজ পশু কুরবানি করা বাধ্যতামূলক। ৪. মাথা মুণ্ডানো বা চুল ছাঁটা: কুরবানির পর মাথা মুণ্ডানো (পুরুষদের জন্য) অথবা সামান্য চুল ছোট করা। ৫. সাঈ করা: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাতবার দৌড়ানো বা আসা-যাওয়া করা। ৬. বিদায়ী তাওয়াফ: মক্কা ত্যাগের আগে সর্বশেষ তাওয়াফ সম্পন্ন করা (বিদেশি হাজীদের জন্য)।
হজের এই প্রতিটি ধাপ আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও ত্যাগের প্রতীক। হজে যাওয়ার পূর্বে এই নিয়মগুলো সঠিকভাবে জেনে নেওয়া শুদ্ধ ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত।

আপনার মতামত লিখুন