ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত চীনের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক রাজনীতির গবেষক মুহানাদ সেলুম। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চীন এই যুদ্ধে ইরানের পক্ষে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ না করলেও কূটনৈতিক ও কারিগরিভাবে তেহরানকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।
অধ্যাপক সেলুমের মতে, বেইজিং ইরানের পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চায় না কারণ এর পরিণতি তাদের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল হতে পারে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য ঠেকাতে তারা ইরানকে সম্পূর্ণ একা ছেড়ে দিতেও রাজি নয়। এই কৌশলগত অবস্থানের অংশ হিসেবে চীন ইতোমধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানবিরোধী বিভিন্ন প্রস্তাবে তাদের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ইরানকে কোণঠাসা করার প্রচেষ্টাগুলোতে চীন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে চীন সরাসরি কোনো সমরাস্ত্র না দিলেও পর্দার আড়ালে ইরানকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা কিছু চীনা কোম্পানি ইরানকে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করছে বলে উল্লেখ করেন সেলুম। বেইজিং মূলত সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নিয়ে কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সহায়তার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখার একটি দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক সমীকরণ বজায় রাখছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত চীনের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক রাজনীতির গবেষক মুহানাদ সেলুম। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চীন এই যুদ্ধে ইরানের পক্ষে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ না করলেও কূটনৈতিক ও কারিগরিভাবে তেহরানকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।
অধ্যাপক সেলুমের মতে, বেইজিং ইরানের পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চায় না কারণ এর পরিণতি তাদের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল হতে পারে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য ঠেকাতে তারা ইরানকে সম্পূর্ণ একা ছেড়ে দিতেও রাজি নয়। এই কৌশলগত অবস্থানের অংশ হিসেবে চীন ইতোমধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানবিরোধী বিভিন্ন প্রস্তাবে তাদের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ইরানকে কোণঠাসা করার প্রচেষ্টাগুলোতে চীন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে চীন সরাসরি কোনো সমরাস্ত্র না দিলেও পর্দার আড়ালে ইরানকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা কিছু চীনা কোম্পানি ইরানকে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করছে বলে উল্লেখ করেন সেলুম। বেইজিং মূলত সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নিয়ে কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সহায়তার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখার একটি দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক সমীকরণ বজায় রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন