টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার সংযোগস্থলে যমুনা নদীর শাখা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু বর্তমানে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। দীর্ঘ তিন বছর আগে প্রায় ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এই জনগুরুত্বপূর্ণ সেতুটি নির্মাণ করা হলেও দুই পাশে কোনো সংযোগ সড়ক তৈরি করা হয়নি। এর ফলে সেতুর সুফল ভোগ করতে পারছেন না দুই জেলার ৩০টি গ্রামের অন্তত কয়েক লাখ মানুষ। বর্তমানে বাঁশের মই ব্যবহার করে চরম ঝুঁকি নিয়ে সেতুতে উঠে পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর মূল কাঠামো দাঁড়িয়ে থাকলেও দুই প্রান্তেই বিশাল গর্ত ও খাড়া মাটি। সংযোগ সড়ক না থাকায় রিকশা, ভ্যান বা অ্যাম্বুলেন্সের মতো যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের উদাসীনতা এবং জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতার দোহাই দিয়ে বছরের পর বছর কাজ ফেলে রাখা হয়েছে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসাসেবা পেতে গ্রামবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেতু নির্মাণের মূল কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি নিয়ে কিছু আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তারা আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে ৩০ গ্রামের মানুষের দাবি, কেবল আশ্বাসে কাজ হবে না, জনদুর্ভোগ নিরসনে অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার সংযোগস্থলে যমুনা নদীর শাখা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু বর্তমানে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। দীর্ঘ তিন বছর আগে প্রায় ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এই জনগুরুত্বপূর্ণ সেতুটি নির্মাণ করা হলেও দুই পাশে কোনো সংযোগ সড়ক তৈরি করা হয়নি। এর ফলে সেতুর সুফল ভোগ করতে পারছেন না দুই জেলার ৩০টি গ্রামের অন্তত কয়েক লাখ মানুষ। বর্তমানে বাঁশের মই ব্যবহার করে চরম ঝুঁকি নিয়ে সেতুতে উঠে পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর মূল কাঠামো দাঁড়িয়ে থাকলেও দুই প্রান্তেই বিশাল গর্ত ও খাড়া মাটি। সংযোগ সড়ক না থাকায় রিকশা, ভ্যান বা অ্যাম্বুলেন্সের মতো যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের উদাসীনতা এবং জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতার দোহাই দিয়ে বছরের পর বছর কাজ ফেলে রাখা হয়েছে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন ও জরুরি চিকিৎসাসেবা পেতে গ্রামবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেতু নির্মাণের মূল কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি নিয়ে কিছু আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তারা আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে ৩০ গ্রামের মানুষের দাবি, কেবল আশ্বাসে কাজ হবে না, জনদুর্ভোগ নিরসনে অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন