দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ ভোর ৪টা ৩২ মিনিটে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্স-এর ফ্যালকন ৯ রকেটে করে এটি মহাকাশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
উৎক্ষেপণের ঠিক ৩৩ মিনিট পর উপগ্রহটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। গ্রাউন্ড স্টেশনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সংকেত পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা নিশ্চিত করেছেন যে উপগ্রহটি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।
নতুন এই উপগ্রহটির মাধ্যমে দেশের দুর্গম এলাকাগুলোতে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে এই প্রযুক্তি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকল্পের সাথে যুক্ত বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আগামী এক মাস ধরে বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করবে। সরকারের পক্ষ থেকে এই অর্জনকে ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ ভোর ৪টা ৩২ মিনিটে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্স-এর ফ্যালকন ৯ রকেটে করে এটি মহাকাশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
উৎক্ষেপণের ঠিক ৩৩ মিনিট পর উপগ্রহটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। গ্রাউন্ড স্টেশনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সংকেত পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা নিশ্চিত করেছেন যে উপগ্রহটি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।
নতুন এই উপগ্রহটির মাধ্যমে দেশের দুর্গম এলাকাগুলোতে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে এই প্রযুক্তি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকল্পের সাথে যুক্ত বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আগামী এক মাস ধরে বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করবে। সরকারের পক্ষ থেকে এই অর্জনকে ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন