চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১টি পরিবারের অন্তত ২০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের উত্তর সাহেবগঞ্জ গ্রামের বেচার বাপের বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্তদের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরে দেলোয়ার হোসেনের ঘরের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়লে একে একে ১১টি পরিবারের ২০টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে অন্তত এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, রান্না ও গোসল শেষে হঠাৎ তারা আগুন দেখতে পান এবং কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবকিছু আগুনের গ্রাসে চলে যায়। ভুক্তভোগীদের দাবি, আগুনের তীব্রতায় ঘরের কোনো আসবাবপত্র বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১টি পরিবারের অন্তত ২০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের উত্তর সাহেবগঞ্জ গ্রামের বেচার বাপের বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্তদের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরে দেলোয়ার হোসেনের ঘরের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়লে একে একে ১১টি পরিবারের ২০টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে অন্তত এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, রান্না ও গোসল শেষে হঠাৎ তারা আগুন দেখতে পান এবং কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবকিছু আগুনের গ্রাসে চলে যায়। ভুক্তভোগীদের দাবি, আগুনের তীব্রতায় ঘরের কোনো আসবাবপত্র বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন