সমাজের প্রতিটি স্তরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায় তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, হাসপাতাল, রেস্টুরেন্টসহ সরকারি ও বেসরকারি সব স্থাপনার ভবন নির্মাণ নীতিমালায় হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী অবকাঠামো, প্রশস্ত দরজা ও বিশেষ টয়লেট সুবিধা রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে। এছাড়া নারীদের জন্য চালুর পরিকল্পনায় থাকা ইলেকট্রিক বাসেও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা রাখার নির্দেশনা দেন তিনি। একইসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের জোর তাগিদ দেওয়া হয়।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন সেবা নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে ১০ জেলার ১০টি উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্প চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সভায়। এছাড়া সারা দেশে পরিচালিত প্রতিবন্ধী স্কুলগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, তথ্য ও সমাজকল্যাণসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সচিবরা উপস্থিত থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সক্ষমতাকে যথাযথ মূল্যায়ন করে এমন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে তারা রাষ্ট্রের সব কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারেন।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
সমাজের প্রতিটি স্তরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায় তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, হাসপাতাল, রেস্টুরেন্টসহ সরকারি ও বেসরকারি সব স্থাপনার ভবন নির্মাণ নীতিমালায় হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী অবকাঠামো, প্রশস্ত দরজা ও বিশেষ টয়লেট সুবিধা রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে। এছাড়া নারীদের জন্য চালুর পরিকল্পনায় থাকা ইলেকট্রিক বাসেও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা রাখার নির্দেশনা দেন তিনি। একইসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের জোর তাগিদ দেওয়া হয়।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন সেবা নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে ১০ জেলার ১০টি উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্প চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সভায়। এছাড়া সারা দেশে পরিচালিত প্রতিবন্ধী স্কুলগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, তথ্য ও সমাজকল্যাণসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সচিবরা উপস্থিত থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সক্ষমতাকে যথাযথ মূল্যায়ন করে এমন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে তারা রাষ্ট্রের সব কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন