ঢাকা নিউজ

অর্থনৈতিক সংকট ও প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল বলিভিয়া



অর্থনৈতিক সংকট ও প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল বলিভিয়া
ছবি : সংগৃহীত

অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজের পদত্যাগ দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ তীব্রতর হয়ে উঠেছে। খনি শ্রমিক ও গ্রামীণ ইউনিয়নের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই আন্দোলন বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। রাজধানী লা পাজের কেন্দ্রীয় চত্বর প্লাজা মুরিলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এর জবাবে ফেডারেশন অব মাইনিং কোঅপারেটিভসের নেতৃত্বে হাজার হাজার খনিশ্রমিক পুলিশের ওপর শক্তিশালী বিস্ফোরক নিক্ষেপ করে। আন্দোলনকারীরা খনির কাজে প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও বিস্ফোরকের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং খনি সংক্রান্ত চুক্তির শর্তাবলী পুনর্বিবেচনাসহ আধুনিক নিয়ম চালুর দাবি জানিয়েছেন।

দেশের বর্তমান নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য পাজ প্রশাসন বিরোধী পক্ষ এবং সাবেক বামপন্থি প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসকে দায়ী করেছে। সরকারের অভিযোগ, মোরালেস তার সমর্থনপুষ্ট গ্রামীণ অঞ্চল ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে ব্যবহার করে এই অস্থিরতা উসকে দিচ্ছেন। তবে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মোরালেস এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, সরকার তাকে বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা করছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট মোরালেস সরকারের প্রতি খাদ্য, জ্বালানি এবং মৌলিক পণ্যের ঘাটতি দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ সরকারের বিশ্বাসঘাতকতা ও সংবিধান লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই রাজপথে নেমেছে। বর্তমানে বলিভিয়ার রাজপথে হাজার হাজার মানুষের এই অবস্থান দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে চরম চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬


অর্থনৈতিক সংকট ও প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল বলিভিয়া

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image

অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজের পদত্যাগ দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ তীব্রতর হয়ে উঠেছে। খনি শ্রমিক ও গ্রামীণ ইউনিয়নের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই আন্দোলন বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। রাজধানী লা পাজের কেন্দ্রীয় চত্বর প্লাজা মুরিলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এর জবাবে ফেডারেশন অব মাইনিং কোঅপারেটিভসের নেতৃত্বে হাজার হাজার খনিশ্রমিক পুলিশের ওপর শক্তিশালী বিস্ফোরক নিক্ষেপ করে। আন্দোলনকারীরা খনির কাজে প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও বিস্ফোরকের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং খনি সংক্রান্ত চুক্তির শর্তাবলী পুনর্বিবেচনাসহ আধুনিক নিয়ম চালুর দাবি জানিয়েছেন।

দেশের বর্তমান নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য পাজ প্রশাসন বিরোধী পক্ষ এবং সাবেক বামপন্থি প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসকে দায়ী করেছে। সরকারের অভিযোগ, মোরালেস তার সমর্থনপুষ্ট গ্রামীণ অঞ্চল ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে ব্যবহার করে এই অস্থিরতা উসকে দিচ্ছেন। তবে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মোরালেস এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, সরকার তাকে বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা করছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট মোরালেস সরকারের প্রতি খাদ্য, জ্বালানি এবং মৌলিক পণ্যের ঘাটতি দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ সরকারের বিশ্বাসঘাতকতা ও সংবিধান লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই রাজপথে নেমেছে। বর্তমানে বলিভিয়ার রাজপথে হাজার হাজার মানুষের এই অবস্থান দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে চরম চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ