বিলাসবহুল পর্যটন গন্তব্য মালদ্বীপের ভাভু অ্যাটলে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে পাঁচ ইতালীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সমুদ্রের প্রায় ৫০ মিটার গভীরে একটি গুহা অনুসন্ধান করতে গিয়ে তারা প্রাণ হারান।
নিহতদের মধ্যে জেনোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানের একজন অধ্যাপক, তাঁর মেয়ে এবং দুইজন তরুণ গবেষক রয়েছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে। রাজধানী মালের দক্ষিণে অবস্থিত ওই গভীর সমুদ্রের গুহায় ডাইভিং করতে গিয়ে তারা আর ফিরে আসেননি। ১ হাজার ১৯২টি প্রবালদ্বীপ নিয়ে গঠিত মালদ্বীপে এটি এখন পর্যন্ত সবথেকে বড় ডাইভিং দুর্ঘটনা বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন।
নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার পর মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স (এমএনডিএফ) বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ভাভু অ্যাটলের ওই গুহার ভেতর থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি চারজনও প্রায় ৬০ মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত ওই একই গুহার ভেতরে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় ভাভু অ্যাটলে আবহাওয়া প্রতিকূল ছিল এবং নৌযানগুলোর জন্য হলুদ সতর্কতা জারি ছিল। বর্তমানে উদ্ধার অভিযান সমন্বয়ের জন্য কোস্টগার্ডের একটি জাহাজ ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে অতিরিক্ত ডুবুরি দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
বিলাসবহুল পর্যটন গন্তব্য মালদ্বীপের ভাভু অ্যাটলে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে পাঁচ ইতালীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সমুদ্রের প্রায় ৫০ মিটার গভীরে একটি গুহা অনুসন্ধান করতে গিয়ে তারা প্রাণ হারান।
নিহতদের মধ্যে জেনোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানের একজন অধ্যাপক, তাঁর মেয়ে এবং দুইজন তরুণ গবেষক রয়েছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে। রাজধানী মালের দক্ষিণে অবস্থিত ওই গভীর সমুদ্রের গুহায় ডাইভিং করতে গিয়ে তারা আর ফিরে আসেননি। ১ হাজার ১৯২টি প্রবালদ্বীপ নিয়ে গঠিত মালদ্বীপে এটি এখন পর্যন্ত সবথেকে বড় ডাইভিং দুর্ঘটনা বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন।
নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার পর মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স (এমএনডিএফ) বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ভাভু অ্যাটলের ওই গুহার ভেতর থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি চারজনও প্রায় ৬০ মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত ওই একই গুহার ভেতরে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় ভাভু অ্যাটলে আবহাওয়া প্রতিকূল ছিল এবং নৌযানগুলোর জন্য হলুদ সতর্কতা জারি ছিল। বর্তমানে উদ্ধার অভিযান সমন্বয়ের জন্য কোস্টগার্ডের একটি জাহাজ ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে অতিরিক্ত ডুবুরি দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন