মার্কিন বিমান ও নভোযান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২০০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। গতকাল শুক্রবার বোয়িং কোম্পানির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। চীনের এই বিশাল বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে এবং বোয়িংয়ের বিবৃতিতে ট্রাম্পের এই অবদানের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত বুধবার তিন দিনের এক সরকারি সফরে মার্কিন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতাদের একটি দল নিয়ে চীনে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরের আগে তিনি জানিয়েছিলেন যে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে বোয়িংয়ের বিমান কেনার ব্যাপারে তিনি সুপারিশ করবেন। ট্রাম্পের ওই প্রতিনিধি দলে বোয়িংয়ের শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা কেলি ওর্টবার্গও উপস্থিত ছিলেন। সফর শেষে গতকাল শুক্রবার তিনি ওয়াশিংটনে ফিরে আসেন।
গতকাল শুক্রবার দেওয়া বিবৃতিতে বোয়িং জানায়, চীন সফরটি অত্যন্ত সফল হয়েছে এবং তাদের মূল লক্ষ্য ছিল চীনের বাজারে প্রবেশ করা। চীন ২০০টি উড়োজাহাজ কিনতে রাজি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে চীনের বাজারে বোয়িংয়ের আরও বিমান প্রবেশের নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এই বড় অর্জনের জন্য বোয়িং কোম্পানি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৭ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের চীন সফরে বোয়িংয়ের সঙ্গে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছিল চীন, যা ছিল এই সফরের আগ পর্যন্ত বোয়িং ও চীনের মধ্যকার সর্বশেষ বাণিজ্যিক লেনদেন। এদিকে বেইজিং থেকে ফিরে ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, এই ২০০টি বিমান যদি ভালো পরিষেবা দেয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে চীন বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ৭৫০টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
মার্কিন বিমান ও নভোযান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২০০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। গতকাল শুক্রবার বোয়িং কোম্পানির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। চীনের এই বিশাল বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে এবং বোয়িংয়ের বিবৃতিতে ট্রাম্পের এই অবদানের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত বুধবার তিন দিনের এক সরকারি সফরে মার্কিন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতাদের একটি দল নিয়ে চীনে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরের আগে তিনি জানিয়েছিলেন যে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে বোয়িংয়ের বিমান কেনার ব্যাপারে তিনি সুপারিশ করবেন। ট্রাম্পের ওই প্রতিনিধি দলে বোয়িংয়ের শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা কেলি ওর্টবার্গও উপস্থিত ছিলেন। সফর শেষে গতকাল শুক্রবার তিনি ওয়াশিংটনে ফিরে আসেন।
গতকাল শুক্রবার দেওয়া বিবৃতিতে বোয়িং জানায়, চীন সফরটি অত্যন্ত সফল হয়েছে এবং তাদের মূল লক্ষ্য ছিল চীনের বাজারে প্রবেশ করা। চীন ২০০টি উড়োজাহাজ কিনতে রাজি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে চীনের বাজারে বোয়িংয়ের আরও বিমান প্রবেশের নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এই বড় অর্জনের জন্য বোয়িং কোম্পানি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৭ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের চীন সফরে বোয়িংয়ের সঙ্গে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছিল চীন, যা ছিল এই সফরের আগ পর্যন্ত বোয়িং ও চীনের মধ্যকার সর্বশেষ বাণিজ্যিক লেনদেন। এদিকে বেইজিং থেকে ফিরে ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, এই ২০০টি বিমান যদি ভালো পরিষেবা দেয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে চীন বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ৭৫০টি বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন