যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিদের দুই দিনব্যাপী সফল সংলাপ শেষে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৪৫ দিন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল এবং লেবানন। গতকাল শুক্রবার (১৫ মে) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগোট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর ফলে গত ১৬ এপ্রিল ঘোষিত যুদ্ধবিরতি, যা আগামী রোববার শেষ হওয়ার কথা ছিল, তার মেয়াদ আরও দেড় মাস বাড়ল।
উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ ইরানে মার্কিন বাহিনীর বিমান অভিযান শুরুর পর, ২ মার্চ থেকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহ দমনের উদ্দেশ্যে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। টানা প্রায় দেড় মাসের এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১৬ এপ্রিল প্রথমবার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। আইডিএফ-এর এই অভিযানে দক্ষিণ লেবাননে ২ হাজার ৮১৪ জন নিহত, ১২ হাজারেরও বেশি আহত এবং ১০ লাখের মতো মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গত এক মাসে ইসরায়েলের কয়েক দফা হামলায় সেখানে কর্মরত বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি পরিযায়ী শ্রমিকও প্রাণ হারিয়েছেন।
ওয়াশিংটনের এই সংলাপটি মধ্যপ্রাচ্যের এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দীর্ঘ কয়েক দশক পর অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। এক্স-বার্তায় টমি পিগোট জানান, এই যোগাযোগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে মার্কিন সামরিক সদরদপ্তর পেন্টাগন দুই দেশের জন্য একটি নতুন 'নিরাপত্তা লাইন' প্রস্তাব করবে, যার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২ থেকে ৩ জুন ওয়াশিংটনেই পুনরায় সংলাপে বসবে ইসরায়েল ও লেবানন। মার্কিন প্রশাসন আশা করছে, এই ধারাবাহিক সংলাপ দুই দেশের স্থায়ী শান্তি, সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিদের দুই দিনব্যাপী সফল সংলাপ শেষে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৪৫ দিন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল এবং লেবানন। গতকাল শুক্রবার (১৫ মে) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগোট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর ফলে গত ১৬ এপ্রিল ঘোষিত যুদ্ধবিরতি, যা আগামী রোববার শেষ হওয়ার কথা ছিল, তার মেয়াদ আরও দেড় মাস বাড়ল।
উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ ইরানে মার্কিন বাহিনীর বিমান অভিযান শুরুর পর, ২ মার্চ থেকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহ দমনের উদ্দেশ্যে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। টানা প্রায় দেড় মাসের এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১৬ এপ্রিল প্রথমবার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। আইডিএফ-এর এই অভিযানে দক্ষিণ লেবাননে ২ হাজার ৮১৪ জন নিহত, ১২ হাজারেরও বেশি আহত এবং ১০ লাখের মতো মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গত এক মাসে ইসরায়েলের কয়েক দফা হামলায় সেখানে কর্মরত বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি পরিযায়ী শ্রমিকও প্রাণ হারিয়েছেন।
ওয়াশিংটনের এই সংলাপটি মধ্যপ্রাচ্যের এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দীর্ঘ কয়েক দশক পর অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। এক্স-বার্তায় টমি পিগোট জানান, এই যোগাযোগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে মার্কিন সামরিক সদরদপ্তর পেন্টাগন দুই দেশের জন্য একটি নতুন 'নিরাপত্তা লাইন' প্রস্তাব করবে, যার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২ থেকে ৩ জুন ওয়াশিংটনেই পুনরায় সংলাপে বসবে ইসরায়েল ও লেবানন। মার্কিন প্রশাসন আশা করছে, এই ধারাবাহিক সংলাপ দুই দেশের স্থায়ী শান্তি, সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন