নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় এক জামায়াত নেতার বাড়িতে সরকারি চাল মজুত করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজনের তথ্যের ভিত্তিতে ৯৯ বস্তা চাল স্থানীয় প্রশাসনের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত আবদুস সামাদ সুবর্ণচর উপজেলার ১নং চরজববার ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমির। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানান, বিগত অনেক দিন পর্যন্ত ইমানআলী বাজার সংলগ্ন জামায়াত নেতা সামাদের বাড়িতে সরকারি চাল মজুত করে রাখা হয়। সরকারি চালগুলো তিনি বিভিন্ন লোকজনের কাছে অধিক মূল্যে বিক্রি করছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন তার বাড়িতে গেলে দেখতে পান একটি তার একটি ঘরে সরকারি চালের প্রায় ৯৯ বস্তা মজুত রয়েছে। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চরজব্বার থানা কে অবহিত করা হয়। কিন্তু সকালে বিষয়টি প্রশাসনকে জানালে দুপুরের দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনার পর জামায়াত নেতা সামাদকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় জামায়াত নেতা আবদুস সামাদের সাথে মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ চালগুলো তিনি রামগতির একটি মাদ্রাসা থেকে ক্রয় করেছেন। এর বাইরে কোনো কথা না বলে তিনি ফোন কেটে দেন।
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আকিব ওসমান জানান, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আবদুস সামাদের বাড়িতে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল পাওয়া গেছে। আপাতত চালগুলো প্রশাসনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি যথাযথ কাগজপত্র দেখাতে পারলে তার চাল ফেরত দেওয়া হবে, না হলে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় এক জামায়াত নেতার বাড়িতে সরকারি চাল মজুত করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজনের তথ্যের ভিত্তিতে ৯৯ বস্তা চাল স্থানীয় প্রশাসনের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত আবদুস সামাদ সুবর্ণচর উপজেলার ১নং চরজববার ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমির। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানান, বিগত অনেক দিন পর্যন্ত ইমানআলী বাজার সংলগ্ন জামায়াত নেতা সামাদের বাড়িতে সরকারি চাল মজুত করে রাখা হয়। সরকারি চালগুলো তিনি বিভিন্ন লোকজনের কাছে অধিক মূল্যে বিক্রি করছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন তার বাড়িতে গেলে দেখতে পান একটি তার একটি ঘরে সরকারি চালের প্রায় ৯৯ বস্তা মজুত রয়েছে। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চরজব্বার থানা কে অবহিত করা হয়। কিন্তু সকালে বিষয়টি প্রশাসনকে জানালে দুপুরের দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনার পর জামায়াত নেতা সামাদকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় জামায়াত নেতা আবদুস সামাদের সাথে মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ চালগুলো তিনি রামগতির একটি মাদ্রাসা থেকে ক্রয় করেছেন। এর বাইরে কোনো কথা না বলে তিনি ফোন কেটে দেন।
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আকিব ওসমান জানান, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আবদুস সামাদের বাড়িতে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল পাওয়া গেছে। আপাতত চালগুলো প্রশাসনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি যথাযথ কাগজপত্র দেখাতে পারলে তার চাল ফেরত দেওয়া হবে, না হলে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।

আপনার মতামত লিখুন