রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং দেশব্যাপী শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে 'সর্বস্তরের জনগণ'-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশে নারী অধিকার জোটের সভাপতি লায়লা পারভীন, নারী নেত্রী বিবি মরিয়ম, উন্নয়নকর্মী ফারজানা তিথি, ব্যবসায়ী সুমন নূর ও অমিত পালসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অপরাধের মাত্রা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে এবং রামিসার পরিবারের এই চরম হতাশা তারই বাস্তব প্রতিফলন। তাঁরা অবিলম্বে এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যথায় এ ধরনের বর্বরতা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না। এ ধরনের জঘন্য অপরাধ শুধু একটি পরিবারকেই ধ্বংস করে না, বরং পুরো সমাজকে আতঙ্কিত ও ব্যথিত করে তোলে। সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে অপরাধীরা বারবার এমন সাহস পাচ্ছে উল্লেখ করে বক্তারা ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের দাবি জানান।
মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি ও নৈতিক শিক্ষা এখন সময়ের দাবি। এই লক্ষ্যে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। উক্ত সমাবেশে নোয়াখালীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে রামিসার ধর্ষক ও হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং দেশব্যাপী শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে 'সর্বস্তরের জনগণ'-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশে নারী অধিকার জোটের সভাপতি লায়লা পারভীন, নারী নেত্রী বিবি মরিয়ম, উন্নয়নকর্মী ফারজানা তিথি, ব্যবসায়ী সুমন নূর ও অমিত পালসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অপরাধের মাত্রা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে এবং রামিসার পরিবারের এই চরম হতাশা তারই বাস্তব প্রতিফলন। তাঁরা অবিলম্বে এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যথায় এ ধরনের বর্বরতা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না। এ ধরনের জঘন্য অপরাধ শুধু একটি পরিবারকেই ধ্বংস করে না, বরং পুরো সমাজকে আতঙ্কিত ও ব্যথিত করে তোলে। সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে অপরাধীরা বারবার এমন সাহস পাচ্ছে উল্লেখ করে বক্তারা ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের দাবি জানান।
মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি ও নৈতিক শিক্ষা এখন সময়ের দাবি। এই লক্ষ্যে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। উক্ত সমাবেশে নোয়াখালীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে রামিসার ধর্ষক ও হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন