গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার যমুনা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলে নেশার টাকা না পেয়ে আপন ফুপুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার এক নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ঘাতক যুবকের মা ও চাচী গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার চর কাবিলপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য হাসমত আলী জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মাদকাসক্ত সোহেল মিয়া তার মা আনোয়ারা বেগমের কাছে নেশার জন্য ২০০ টাকা দাবি করে। মা টাকা দিতে অস্বীকার করলে সোহেল চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে ধারালো ছুরি বের করে তাঁকে উপুর্যপুরি কোপাতে থাকে। এ সময় মায়ের চিৎকার শুনে ফুপু জোহরা বেগম ও চাচী জেলেমন বেগম তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সোহেল তাঁদের ওপরও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত চালায়। ধারালো অস্ত্রের নির্মম আঘাতে ফুপু জোহরা বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পরবর্তীতে গুরুতর আহত অবস্থায় মা আনোয়ারা বেগম ও চাচী জেলেমন বেগমকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর পর চিৎকার শুনে আশেপাশের গ্রামবাসী ছুটে এসে ঘাতক সোহেল মিয়াকে আটক করে এবং ফুলছড়ি থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।
ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত সোহেল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন এবং এর কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিল। এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার যমুনা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলে নেশার টাকা না পেয়ে আপন ফুপুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার এক নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ঘাতক যুবকের মা ও চাচী গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার চর কাবিলপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য হাসমত আলী জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মাদকাসক্ত সোহেল মিয়া তার মা আনোয়ারা বেগমের কাছে নেশার জন্য ২০০ টাকা দাবি করে। মা টাকা দিতে অস্বীকার করলে সোহেল চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে ধারালো ছুরি বের করে তাঁকে উপুর্যপুরি কোপাতে থাকে। এ সময় মায়ের চিৎকার শুনে ফুপু জোহরা বেগম ও চাচী জেলেমন বেগম তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সোহেল তাঁদের ওপরও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত চালায়। ধারালো অস্ত্রের নির্মম আঘাতে ফুপু জোহরা বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পরবর্তীতে গুরুতর আহত অবস্থায় মা আনোয়ারা বেগম ও চাচী জেলেমন বেগমকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর পর চিৎকার শুনে আশেপাশের গ্রামবাসী ছুটে এসে ঘাতক সোহেল মিয়াকে আটক করে এবং ফুলছড়ি থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।
ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত সোহেল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন এবং এর কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিল। এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

আপনার মতামত লিখুন