কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকে আসা হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ‘বৈধ আত্মরক্ষা’ বলে দাবি করেছে ইরান। কুয়েতের পক্ষ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ ওঠার পর তেহরান এই মন্তব্য করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানান, যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ড বা সামরিক সম্পদ অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণে ব্যবহারের সুযোগ দেয়, আন্তর্জাতিক আইনে তাদের তা না করার স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রগুলোর প্রতিষ্ঠিত আইনগত দায়িত্ব রয়েছে যাতে তাদের ভূখণ্ড বা সম্পদ অন্য দেশের ওপর আক্রমণের জন্য ব্যবহার না হয়।”
একই সঙ্গে ইরানি এই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ বিষয়ে ‘একপাক্ষিক নৈতিক ক্ষোভ’ দেখাচ্ছে এবং তাদের অবস্থান ‘ভণ্ডামি ও বেপরোয়া’। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক বিভাগ এক বিবৃতিতে কুয়েতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল। ইইউ তাদের বিবৃতিতে বলেছিল, এই ধরনের হামলা কুয়েতের সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকে আসা হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ‘বৈধ আত্মরক্ষা’ বলে দাবি করেছে ইরান। কুয়েতের পক্ষ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ ওঠার পর তেহরান এই মন্তব্য করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানান, যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ড বা সামরিক সম্পদ অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণে ব্যবহারের সুযোগ দেয়, আন্তর্জাতিক আইনে তাদের তা না করার স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রগুলোর প্রতিষ্ঠিত আইনগত দায়িত্ব রয়েছে যাতে তাদের ভূখণ্ড বা সম্পদ অন্য দেশের ওপর আক্রমণের জন্য ব্যবহার না হয়।”
একই সঙ্গে ইরানি এই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ বিষয়ে ‘একপাক্ষিক নৈতিক ক্ষোভ’ দেখাচ্ছে এবং তাদের অবস্থান ‘ভণ্ডামি ও বেপরোয়া’। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক বিভাগ এক বিবৃতিতে কুয়েতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল। ইইউ তাদের বিবৃতিতে বলেছিল, এই ধরনের হামলা কুয়েতের সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।

আপনার মতামত লিখুন