নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পরিচালিত পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের সবাই স্থানীয় কিশোর গ্যাং ‘কেপিজি’র সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় জেলা শহর মাইজদীর পৌরবাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক হওয়া ১৮ জনের মধ্যে ১৭ জন কিশোর এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক। কিশোর গ্যাংটির সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জেলা শহর মাইজদীতে ‘কেপিজি’ ছাড়াও আরও কয়েকটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। এসব গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রায়ই ধারালো অস্ত্র নিয়ে মহড়া ও শোডাউন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। কয়েক দিন আগেও শহরের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের সম্মিলিত শোডাউনের ঘটনা ঘটেছে। তাদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে পথচারী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “কেপিজি নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের নাম-পরিচয় ও বয়স যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অভিযোগ পর্যালোচনা করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
নোয়াখালী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, জেলা শহরসহ প্রতিটি উপজেলায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দমনে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
পুলিশের এ অভিযানে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও কিশোর গ্যাংয়ের স্থায়ী দমন এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পরিচালিত পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের সবাই স্থানীয় কিশোর গ্যাং ‘কেপিজি’র সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় জেলা শহর মাইজদীর পৌরবাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক হওয়া ১৮ জনের মধ্যে ১৭ জন কিশোর এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক। কিশোর গ্যাংটির সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জেলা শহর মাইজদীতে ‘কেপিজি’ ছাড়াও আরও কয়েকটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। এসব গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রায়ই ধারালো অস্ত্র নিয়ে মহড়া ও শোডাউন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। কয়েক দিন আগেও শহরের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের সম্মিলিত শোডাউনের ঘটনা ঘটেছে। তাদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে পথচারী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “কেপিজি নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের নাম-পরিচয় ও বয়স যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অভিযোগ পর্যালোচনা করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
নোয়াখালী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, জেলা শহরসহ প্রতিটি উপজেলায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দমনে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
পুলিশের এ অভিযানে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও কিশোর গ্যাংয়ের স্থায়ী দমন এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

আপনার মতামত লিখুন