নোয়াখালীর সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যার এই সংঘর্ষে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল ও যুবদলের অন্তত ছয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার নোয়ান্নই ইউনিয়নে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচি শেষে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমের সাথে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার খবর ঘোষণা করা হলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকেরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এর জের ধরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন জড়ো হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে। ঘটনার পর নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক মাহবুব আলমগীর আলো এবং সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদসহ শীর্ষ নেতারা হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান এবং এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তবে দলের কর্মীদের উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তৎকালীন সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন। পাল্টাপাল্টি এই হামলার ঘটনায় পুরো নোয়াখালীর রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা ও সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
নোয়াখালীর সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যার এই সংঘর্ষে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল ও যুবদলের অন্তত ছয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার নোয়ান্নই ইউনিয়নে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচি শেষে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমের সাথে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার খবর ঘোষণা করা হলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকেরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এর জের ধরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন জড়ো হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে। ঘটনার পর নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক মাহবুব আলমগীর আলো এবং সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদসহ শীর্ষ নেতারা হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান এবং এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তবে দলের কর্মীদের উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তৎকালীন সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন। পাল্টাপাল্টি এই হামলার ঘটনায় পুরো নোয়াখালীর রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা ও সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন