সারা পৃথিবীতে উদ্বেগজনক হারে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে ৪০ বছরের কম বয়সি তরুণদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হার্ট অ্যাটাকের শিকার রোগীদের মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশেরই বয়স ৪০ বছরের নিচে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়ামের অভাবকে এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। করাচির বিভিন্ন হাসপাতালের পরিসংখ্যানও এই পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরছে। দেশটির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজেসে (এনআইসিভিডি) প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জন হার্ট অ্যাটাকের রোগী ভর্তি হচ্ছেন, অন্যদিকে সিভিল হাসপাতালে দৈনিক প্রায় পাঁচটি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ৩০টিরও বেশি হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা নথিভুক্ত হচ্ছে। এনআইসিভিডির প্রধান ডা. তাহির সগীর জানান, হার্ট অ্যাটাক রোগীদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশই ৪০ বছরের কম বয়সি এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুবরণ করছেন। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সলিম বিরানি বলেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত শরীরচর্চা, তামাকজাত পণ্য পরিহার এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, তরুণরা যদি এখনই তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন না আনে, তাহলে ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক একটি বড় সামাজিক সংকটে পরিণত হতে পারে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
সারা পৃথিবীতে উদ্বেগজনক হারে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে ৪০ বছরের কম বয়সি তরুণদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হার্ট অ্যাটাকের শিকার রোগীদের মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশেরই বয়স ৪০ বছরের নিচে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়ামের অভাবকে এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। করাচির বিভিন্ন হাসপাতালের পরিসংখ্যানও এই পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরছে। দেশটির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজেসে (এনআইসিভিডি) প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জন হার্ট অ্যাটাকের রোগী ভর্তি হচ্ছেন, অন্যদিকে সিভিল হাসপাতালে দৈনিক প্রায় পাঁচটি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ৩০টিরও বেশি হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা নথিভুক্ত হচ্ছে। এনআইসিভিডির প্রধান ডা. তাহির সগীর জানান, হার্ট অ্যাটাক রোগীদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশই ৪০ বছরের কম বয়সি এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুবরণ করছেন। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সলিম বিরানি বলেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত শরীরচর্চা, তামাকজাত পণ্য পরিহার এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, তরুণরা যদি এখনই তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন না আনে, তাহলে ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক একটি বড় সামাজিক সংকটে পরিণত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন