শিগগিরই ইসরাইল সফরে যেতে পারেন সোমালিল্যান্ডের স্বঘোষিত ও সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আবদিরাহমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহি। ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এই সফরটি অনুষ্ঠিত হলে তা হবে প্রেসিডেন্ট চিরোর প্রথম তেল আবিব সফর। সম্প্রতি ইসরাইল প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গঠিত স্বঘোষিত রাষ্ট্র সোমালিল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
সোমালিল্যান্ডের কূটনীতিক ইসমাইল শিরওয়াক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তেল আবিবে প্রদর্শিত সোমালিল্যান্ড ও ইসরাইলের পতাকার ছবি শেয়ার করে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান যে, আগামী মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রেসিডেন্ট ইসরাইলে পৌঁছাতে পারেন।
কৌশলগতভাবে এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত সোমালিল্যান্ড মূলত লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশদ্বার হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই ইসরাইল সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যাতে ওই অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি এবং ইরান ও তার মিত্রদের মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।
বিশেষজ্ঞরা আরও মনে করছেন, ইয়েমেনের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণকারী হুথিরা বর্তমানে ইসরাইলের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা ইতোমধ্যে লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট সমস্ত জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে।
অবশ্য এই সম্ভাব্য হাই-প্রোফাইল সফরটি নিয়ে এখন পর্যন্ত সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় কিংবা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
শিগগিরই ইসরাইল সফরে যেতে পারেন সোমালিল্যান্ডের স্বঘোষিত ও সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আবদিরাহমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহি। ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এই সফরটি অনুষ্ঠিত হলে তা হবে প্রেসিডেন্ট চিরোর প্রথম তেল আবিব সফর। সম্প্রতি ইসরাইল প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গঠিত স্বঘোষিত রাষ্ট্র সোমালিল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
সোমালিল্যান্ডের কূটনীতিক ইসমাইল শিরওয়াক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তেল আবিবে প্রদর্শিত সোমালিল্যান্ড ও ইসরাইলের পতাকার ছবি শেয়ার করে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান যে, আগামী মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রেসিডেন্ট ইসরাইলে পৌঁছাতে পারেন।
কৌশলগতভাবে এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত সোমালিল্যান্ড মূলত লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশদ্বার হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই ইসরাইল সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যাতে ওই অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি এবং ইরান ও তার মিত্রদের মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।
বিশেষজ্ঞরা আরও মনে করছেন, ইয়েমেনের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণকারী হুথিরা বর্তমানে ইসরাইলের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা ইতোমধ্যে লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট সমস্ত জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে।
অবশ্য এই সম্ভাব্য হাই-প্রোফাইল সফরটি নিয়ে এখন পর্যন্ত সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় কিংবা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন